০৮:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
সাবেক ডিআইজি একেএম নাহিদুল ইসলাম গ্রেপ্তার

সাবেক ডিআইজি একেএম নাহিদুল ইসলাম গ্রেপ্তার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৭৪

পুলিশের সাবেক ডিআইজি একেএম নাহিদুল ইসলামকে শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে রাজধানীর ইস্কাটন থেকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় থেকে শনিবার আদালতে তোলা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের কারণ
ডিবি পুলিশ সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি থাকায় নাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সাবেক ডিআইজির পরিচয়
একেএম নাহিদুল ইসলাম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ১৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তিনি একসময় মেহেরপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মামলার প্রেক্ষাপট
জানা যায়, মেহেরপুরে এসপি থাকাকালে জেলার আলোচিত জামায়াত নেতা তারিক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত হিসেবে নাহিদুল ইসলামের নাম আসে। এই হত্যাকাণ্ড ও পরবর্তী তদন্ত সেসময় জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
সরকার গত ২৮ জুলাই নাহিদুল ইসলামসহ চারজন ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসর দেয়। এরপরই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর হয়।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই জখম

সাবেক ডিআইজি একেএম নাহিদুল ইসলাম গ্রেপ্তার

সাবেক ডিআইজি একেএম নাহিদুল ইসলাম গ্রেপ্তার

আপডেট: ০৫:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

পুলিশের সাবেক ডিআইজি একেএম নাহিদুল ইসলামকে শুক্রবার দিবাগত রাত ২টার দিকে রাজধানীর ইস্কাটন থেকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় থেকে শনিবার আদালতে তোলা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের কারণ
ডিবি পুলিশ সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি থাকায় নাহিদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সাবেক ডিআইজির পরিচয়
একেএম নাহিদুল ইসলাম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ১৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা। তিনি একসময় মেহেরপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মামলার প্রেক্ষাপট
জানা যায়, মেহেরপুরে এসপি থাকাকালে জেলার আলোচিত জামায়াত নেতা তারিক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত হিসেবে নাহিদুল ইসলামের নাম আসে। এই হত্যাকাণ্ড ও পরবর্তী তদন্ত সেসময় জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
সরকার গত ২৮ জুলাই নাহিদুল ইসলামসহ চারজন ডিআইজিকে বাধ্যতামূলক অবসর দেয়। এরপরই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর হয়।