১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

যশোরের পারিবারিক কলহে ছোট ভাইয়ের হাতুড়ির আঘাতে গুরুতর আহত বড় বোন,

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৩২:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • ৫১৪

যশোরের মণিরামপুর পৌরশহরে পারিবারিক কলহের জেরে ছোট ভাইয়ের হাতুড়ির আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন বড় বোন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে মণিরামপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তাহেরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ময়না মন্ডল (২৬) ও অভিযুক্ত সাগর মন্ডল (২১) একই পরিবারের সদস্য। তারা সুপদ মন্ডল ও ছবিতা মন্ডলের ছেলে-মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বামী পরিত্যক্তা ময়না মন্ডল দীর্ঘদিন ধরে বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। পারিবারিক অভাব-অনটন ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভাই-বোনের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ দেখা দিত। ঘটনার দিন সকালেও তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়।

স্থানীয়দের দাবি, দুপুরে অন্যের বাড়িতে কাজ শেষে ময়না বাড়ির সামনে পৌঁছালে সাগর মন্ডল পূর্ববিরোধের জেরে একটি বিশেষ ধরনের হাতুড়ি দিয়ে তার মাথায় সজোরে আঘাত করেন। আঘাতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আরও কয়েকটি আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আহত ময়নাকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে প্রথমে মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, আহত ময়নার মাথা ও পিঠে একাধিক গুরুতর আঘাত রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা সংকটাপন্ন এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ঘটনার খবর পেয়ে মণিরামপুর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ সময় হামলায় ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের হাতুড়িটি উদ্ধার করা হয়েছে।

মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু সাঈদ জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলায় ব্যবহৃত হাতুড়িটি জব্দ করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

সর্বাধিক পঠিত

শার্শায় মাদ্রাসাছাত্রীকে কু-প্রস্তাব ও হুমকির অভিযোগ, সুপারের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ

যশোরের পারিবারিক কলহে ছোট ভাইয়ের হাতুড়ির আঘাতে গুরুতর আহত বড় বোন,

আপডেট: ১০:৩২:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

যশোরের মণিরামপুর পৌরশহরে পারিবারিক কলহের জেরে ছোট ভাইয়ের হাতুড়ির আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন বড় বোন। গুরুতর জখম অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে মণিরামপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তাহেরপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ময়না মন্ডল (২৬) ও অভিযুক্ত সাগর মন্ডল (২১) একই পরিবারের সদস্য। তারা সুপদ মন্ডল ও ছবিতা মন্ডলের ছেলে-মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বামী পরিত্যক্তা ময়না মন্ডল দীর্ঘদিন ধরে বাবার বাড়িতে বসবাস করছিলেন। পারিবারিক অভাব-অনটন ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভাই-বোনের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ দেখা দিত। ঘটনার দিন সকালেও তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়।

স্থানীয়দের দাবি, দুপুরে অন্যের বাড়িতে কাজ শেষে ময়না বাড়ির সামনে পৌঁছালে সাগর মন্ডল পূর্ববিরোধের জেরে একটি বিশেষ ধরনের হাতুড়ি দিয়ে তার মাথায় সজোরে আঘাত করেন। আঘাতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আরও কয়েকটি আঘাত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আহত ময়নাকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে প্রথমে মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক জানান, আহত ময়নার মাথা ও পিঠে একাধিক গুরুতর আঘাত রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা সংকটাপন্ন এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

ঘটনার খবর পেয়ে মণিরামপুর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ সময় হামলায় ব্যবহৃত বিশেষ ধরনের হাতুড়িটি উদ্ধার করা হয়েছে।

মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু সাঈদ জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলায় ব্যবহৃত হাতুড়িটি জব্দ করা হয়েছে। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা দ্রুত দোষীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।