০৫:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

বেনাপোলে ভারত থেকে আসা মাছের চালান আটক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:১৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৬৬

বেনাপোল প্রতিনিধি

বেনাপোল স্থলবন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় ভারত থেকে আমদানিকৃত একটি বড় মাছের চালান আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন্দরের কাঁচামালের ইয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে এই পণ্য চালানটি আটক করা হয়।
বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার সাকিব রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তাদের কাছে গোপন তথ্য ছিল যে একটি মাছের চালানে ঘোষণার বাইরে ভিন্ন জাতের মাছ আনা হয়েছে। এরপর কাস্টমসের একটি চৌকস দল বন্দরের কাঁচামালের ইয়ার্ডে তল্লাশি চালিয়ে চালানটি জব্দ করে।
প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, আমদানিকারক পক্ষ সাধারণ মাছের ঘোষণা দিলেও কার্টনের ভেতর ইলিশ মাছ নিয়ে আসা হয়েছে।

কাস্টমস সূত্র জানিয়েছে, বিতর্কিত এই পণ্য চালানের মালিক শান্ত নামের এক আমদানিকারক। ভারত থেকে এই মাছ আমদানির যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লিং ইন্টারন্যাশনাল। মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি বা নিষিদ্ধ পণ্য আমদানির উদ্দেশ্যেই এমনটি করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সহকারী কমিশনার সাকিব রায়হান আরও জানান, “বর্তমানে মাছগুলো গণনার কাজ চলছে। প্রতিটি কার্টন খুলে পরীক্ষা করা হচ্ছে। গণনার কাজ সম্পূর্ণ শেষ হলে ইলিশের সঠিক পরিমাণ এবং শুল্ক ফাঁকির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা সম্ভব হবে।”
বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই জালিয়াতির সাথে জড়িত আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইন অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

১৫ লাখ টাকার চুক্তিতে শ্বশুরকে খুন: যশোরে অস্ত্রসহ ১৭ মামলার আসামি মনিরুল আটক

বেনাপোলে ভারত থেকে আসা মাছের চালান আটক

আপডেট: ০১:১৪:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

বেনাপোল প্রতিনিধি

বেনাপোল স্থলবন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় ভারত থেকে আমদানিকৃত একটি বড় মাছের চালান আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন্দরের কাঁচামালের ইয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে এই পণ্য চালানটি আটক করা হয়।
বেনাপোল কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার সাকিব রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তাদের কাছে গোপন তথ্য ছিল যে একটি মাছের চালানে ঘোষণার বাইরে ভিন্ন জাতের মাছ আনা হয়েছে। এরপর কাস্টমসের একটি চৌকস দল বন্দরের কাঁচামালের ইয়ার্ডে তল্লাশি চালিয়ে চালানটি জব্দ করে।
প্রাথমিক পরীক্ষায় দেখা গেছে, আমদানিকারক পক্ষ সাধারণ মাছের ঘোষণা দিলেও কার্টনের ভেতর ইলিশ মাছ নিয়ে আসা হয়েছে।

কাস্টমস সূত্র জানিয়েছে, বিতর্কিত এই পণ্য চালানের মালিক শান্ত নামের এক আমদানিকারক। ভারত থেকে এই মাছ আমদানির যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট লিং ইন্টারন্যাশনাল। মিথ্যা ঘোষণার মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি বা নিষিদ্ধ পণ্য আমদানির উদ্দেশ্যেই এমনটি করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সহকারী কমিশনার সাকিব রায়হান আরও জানান, “বর্তমানে মাছগুলো গণনার কাজ চলছে। প্রতিটি কার্টন খুলে পরীক্ষা করা হচ্ছে। গণনার কাজ সম্পূর্ণ শেষ হলে ইলিশের সঠিক পরিমাণ এবং শুল্ক ফাঁকির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রদান করা সম্ভব হবে।”
বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই জালিয়াতির সাথে জড়িত আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের বিরুদ্ধে কাস্টমস আইন অনুযায়ী কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।