যশোরের চৌগাছা উপজেলার স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মো. শাহিন হত্যা মামলায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত নিরপরাধ ব্যক্তিদের আসামি করার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১ মার্চ) এক সংবাদ সম্মেলনে মোবারক হোসেনের পরিবারের পক্ষে এই দাবি জানান তার ভাইপো মামুন কবীর।
লিখিত বক্তব্যে মামুন কবীর জানান, গত ১৬ ফেব্রুয়ারি চৌগাছার কুঠিপাড়া মোড়ে দুর্বৃত্তদের হামলায় গুরুতর আহত হন সাবেক কাউন্সিলর মো. শাহিন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৩ ফেব্রুয়ারি তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী ফাহিমা আক্তার মুক্তা গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪/৫ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।
পরিবারের অভিযোগ:
সংবাদ সম্মেলনে মামুন কবীর অভিযোগ করেন যে, এজাহারভুক্ত ১১ জন আসামির মধ্যে মোবারক হোসেনের ৬ ছেলে ও ভাইপো রয়েছেন এবং বাকি ৫ জন প্রতিবেশী। তারা সকলেই বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হওয়ায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাদের এই মামলায় জড়ানো হয়েছে।
তার দাবি অনুযায়ী:
* প্রতিহিংসার রাজনীতি: ১৯৯৯ সালে মামুন কবীরের বড় ভাই ও বিএনপি নেতা মকবুল হোসেন হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি মমিন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। নিহত শাহিন এই মমিনের ছোট ভাই। পরিবারের দাবি, পুরোনো শত্রুতার জেরে প্রতিশোধ নিতেই এখন তাদের পরিবারের সদস্যদের ফাঁসানো হচ্ছে।
* প্রকৃত আসামিদের আড়াল: সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, “আমরা শাহিন হত্যার বিচার চাই, কিন্তু প্রকৃত খুনিদের আড়াল করতে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করা হচ্ছে যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত মোবারক হোসেনের পরিবারের সদস্যরা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তারা পুরো ঘটনাটি অধিকতর ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীর হোসেন, মাহমুদা আক্তার তিশা, আয়েশা আক্তার ঝুমা, সালমা আক্তার ও রুপালী আক্তার।
















