০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

শার্শার কায়বা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র এখন মরণফাঁদ: চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত হাজারো মানুষ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৪৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫০৯

যশোরের শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নে অবস্থিত শতবর্ষী উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি বর্তমানে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাব এবং কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলায় হাসপাতাল ভবনটি এখন ব্যবহার অনুপযোগী। জরাজীর্ণ এই ভবনের কারণে চিকিৎসা সেবা তো দূরের কথা, এটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রায় ১০০ বছরের পুরনো এই হাসপাতালটির ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ছে। দেয়ালগুলোর বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির দিনে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ায় ভেতরের পরিবেশ স্যাঁতসেঁতে ও অস্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবনটির অবস্থা এতটাই নড়বড়ে যে যেকোনো সময় ছাদ ধসে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটতে পারে।
চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত এলাকাবাসী
উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি এক সময় কায়বা ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসার প্রধান ভরসা ছিল। কিন্তু বর্তমানে অবকাঠামোগত সংকটের কারণে এখানে কোনো মানসম্মত চিকিৎসা প্রদান সম্ভব হচ্ছে না।
: স্থানীয় রোগীরা বাধ্য হয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা জেলা শহরে যাচ্ছেন।
: যাতায়াত ও বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে গিয়ে দরিদ্র মানুষের পকেট থেকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হচ্ছে।
: গর্ভবতী নারী ও শিশুদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এখন পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, হাসপাতালটি সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণের জন্য বারবার স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগকে জানানো হয়েছে। কিন্তু বছরের পর বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভের সাথে বলেন, “হাসপাতাল আছে কিন্তু চিকিৎসা নেই। আমরা কি কোনোদিন এই ভাঙাচোরা ভবনের বদলে একটা ভালো হাসপাতাল পাব না?”

কায়বা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের দাবি, অবিলম্বে এই জরাজীর্ণ ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে সেখানে নতুন একটি আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হোক। একই সাথে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করে এই অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

শার্শার কায়বা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র এখন মরণফাঁদ: চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত হাজারো মানুষ

শার্শার কায়বা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র এখন মরণফাঁদ: চিকিৎসা সেবা বঞ্চিত হাজারো মানুষ

আপডেট: ০৯:৪৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

যশোরের শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নে অবস্থিত শতবর্ষী উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি বর্তমানে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাব এবং কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলায় হাসপাতাল ভবনটি এখন ব্যবহার অনুপযোগী। জরাজীর্ণ এই ভবনের কারণে চিকিৎসা সেবা তো দূরের কথা, এটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রায় ১০০ বছরের পুরনো এই হাসপাতালটির ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে পড়ছে। দেয়ালগুলোর বিভিন্ন স্থানে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির দিনে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ায় ভেতরের পরিবেশ স্যাঁতসেঁতে ও অস্বাস্থ্যকর হয়ে ওঠে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভবনটির অবস্থা এতটাই নড়বড়ে যে যেকোনো সময় ছাদ ধসে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটতে পারে।
চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত এলাকাবাসী
উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি এক সময় কায়বা ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষের প্রাথমিক চিকিৎসার প্রধান ভরসা ছিল। কিন্তু বর্তমানে অবকাঠামোগত সংকটের কারণে এখানে কোনো মানসম্মত চিকিৎসা প্রদান সম্ভব হচ্ছে না।
: স্থানীয় রোগীরা বাধ্য হয়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বা জেলা শহরে যাচ্ছেন।
: যাতায়াত ও বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে গিয়ে দরিদ্র মানুষের পকেট থেকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হচ্ছে।
: গর্ভবতী নারী ও শিশুদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এখন পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এলাকাবাসীর দাবি, হাসপাতালটি সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণের জন্য বারবার স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য বিভাগকে জানানো হয়েছে। কিন্তু বছরের পর বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভের সাথে বলেন, “হাসপাতাল আছে কিন্তু চিকিৎসা নেই। আমরা কি কোনোদিন এই ভাঙাচোরা ভবনের বদলে একটা ভালো হাসপাতাল পাব না?”

কায়বা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহলের দাবি, অবিলম্বে এই জরাজীর্ণ ভবনটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে সেখানে নতুন একটি আধুনিক ভবন নির্মাণ করা হোক। একই সাথে পর্যাপ্ত চিকিৎসক ও ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করে এই অঞ্চলের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।