যশোর শহরের শংকরপুর জমাদ্দারপাড়া বস্তির একটি ঘরে বোমা বিস্ফোরণে শিশু খাদিজা (৭) নিহতের ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে ফয়সাল হাসান রিয়াদ (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহরের খালধার রোড এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আদালতের নির্দেশ ও পুলিশের পদক্ষেপ
কোতোয়ালি থানা পুলিশ আটকের পর রিয়াদকে শনিবার বিকেলেই যশোর আদালতে সোপর্দ করে। আদালতের বিচারক শুনানি শেষে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আটক রিয়াদ খালধার রোড আলিয়া মাদ্রাসা এলাকার আলতাফ হোসেন কুটির ছেলে।
মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, গত বছরের ১৯ মে সকাল ৮টার দিকে শংকরপুর জমাদ্দারপাড়া এলাকার একটি বস্তির বসতঘরে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারায় শিশু খাদিজা। গুরুতর আহত হয় তার ছোট ভাই সজীব (৫) ও বোন আয়েশা (৩)। নিহত ও আহত শিশুরা ওই এলাকার শহিদুল ইসলাম সুজন ও সুমি খাতুন দম্পতির সন্তান। এই নৃশংস ঘটনার পর অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন নিহতের মা।
মামলার তদন্ত চলাকালে এর আগে রাব্বি হোসেন মুসা নামে আরেক সন্দেহভাজনকে আটক করেছিল পুলিশ। দীর্ঘ তদন্তের পর এবার রিয়াদকে আটক করা হলো। তবে রিয়াদের পরিবার এই অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছে। থানা ও আদালত প্রাঙ্গণে রিয়াদের স্বজনরা দাবি করেন, “রিয়াদ নির্দোষ এবং তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।”
এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তাকে বর্তমানে কেবল সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে। অধিকতর তদন্তে যদি তার সম্পৃক্ততা না পাওয়া যায়, তবে চার্জশিটে তাকে অব্যাহতির আবেদন জানানো হবে।
ট
















