০৭:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

১৫ লাখ টাকার চুক্তিতে শ্বশুরকে খুন: যশোরে অস্ত্রসহ ১৭ মামলার আসামি মনিরুল আটক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৩৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • ৫১০

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যাকাণ্ডের জট খুলতে শুরু করেছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শহরের ষষ্ঠীতলা এলাকার আলোচিত সন্ত্রাসী মনিরুল ইসলামকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শনিবার রাতে ঝুমঝুমপুর মাস্টারপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটক মনিরুল ষষ্ঠীতলা এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে।
পুলিশ জানায়, মনিরুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও অস্ত্র মামলাসহ মোট ১৭টি মামলা রয়েছে। রোববার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের এসআই অলক কুমার দে জানান, গত ৩ জানুয়ারি রাতে যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় আলমগীর হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন:
* নিহতের মেয়ে জামাই পরশ (মূল পরিকল্পনাকারী)
* সহযোগী সাগর
* মূল শুটার ত্রিদিব ওরফে মিশুক
* শাহীন কাজী
* এবং সর্বশেষ আটক মনিরুল ইসলাম।
১৫ লাখ টাকার ‘কিলিং মিশন’
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আলমগীর হোসেনকে হত্যার জন্য ১৫ লাখ টাকার একটি চুক্তি করা হয়েছিল। এই বিপুল পরিমাণ টাকার যোগানদাতা ছিলেন নিহতের নিজের মেয়ে জামাই পরশ। এমনকি হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়েছে পরশেরই নিজস্ব পিস্তল দিয়ে।
জবানবন্দি থেকে আরও জানা যায়, এই কিলিং মিশনে ১০ থেকে ১২ জন অংশ নিয়েছিল। তারা তিনটি মোটরসাইকেলে করে আলমগীর হোসেনকে অনুসরণ করে এবং সুযোগ বুঝে শংকরপুর এলাকায় তাকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে।

সর্বাধিক পঠিত

১৫ লাখ টাকার চুক্তিতে শ্বশুরকে খুন: যশোরে অস্ত্রসহ ১৭ মামলার আসামি মনিরুল আটক

১৫ লাখ টাকার চুক্তিতে শ্বশুরকে খুন: যশোরে অস্ত্রসহ ১৭ মামলার আসামি মনিরুল আটক

আপডেট: ০৭:৩৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর যশোরে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন হত্যাকাণ্ডের জট খুলতে শুরু করেছে। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শহরের ষষ্ঠীতলা এলাকার আলোচিত সন্ত্রাসী মনিরুল ইসলামকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। শনিবার রাতে ঝুমঝুমপুর মাস্টারপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আটক মনিরুল ষষ্ঠীতলা এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে।
পুলিশ জানায়, মনিরুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও অস্ত্র মামলাসহ মোট ১৭টি মামলা রয়েছে। রোববার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়ার পর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের এসআই অলক কুমার দে জানান, গত ৩ জানুয়ারি রাতে যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় আলমগীর হোসেনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন:
* নিহতের মেয়ে জামাই পরশ (মূল পরিকল্পনাকারী)
* সহযোগী সাগর
* মূল শুটার ত্রিদিব ওরফে মিশুক
* শাহীন কাজী
* এবং সর্বশেষ আটক মনিরুল ইসলাম।
১৫ লাখ টাকার ‘কিলিং মিশন’
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আলমগীর হোসেনকে হত্যার জন্য ১৫ লাখ টাকার একটি চুক্তি করা হয়েছিল। এই বিপুল পরিমাণ টাকার যোগানদাতা ছিলেন নিহতের নিজের মেয়ে জামাই পরশ। এমনকি হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হয়েছে পরশেরই নিজস্ব পিস্তল দিয়ে।
জবানবন্দি থেকে আরও জানা যায়, এই কিলিং মিশনে ১০ থেকে ১২ জন অংশ নিয়েছিল। তারা তিনটি মোটরসাইকেলে করে আলমগীর হোসেনকে অনুসরণ করে এবং সুযোগ বুঝে শংকরপুর এলাকায় তাকে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে।