০৩:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা: কৌশলগত কারণে ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ করল ইরান

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬
  • ৬২৫

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি রেভ্যুলেশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। মূলত কৌশলগত কারণ দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে রোববার (১ মার্চ) ইরানি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি দিয়ে আপাতত কোনো জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (UKMTO) নিশ্চিত করেছে যে, তারাও ইরান থেকে এই ধরনের সতর্কবার্তা পেয়েছে।

পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী এই সরু নৌপথটি বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী:
* বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
* এই প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
* সৌদি আরব, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলোর তেল রপ্তানি এই পথের ওপর নির্ভরশীল।

ইরানের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলো এই পদক্ষেপকে বৈশ্বিক সচলতা ও অর্থনীতির ওপর বড় আঘাত হিসেবে দেখছে। তবে ইরান কতদিন এই অবরোধ বজায় রাখবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি।
> বিশেষ দ্রষ্টব্য: হরমুজ প্রণালি বন্ধের ফলে বিশ্বজুড়ে যে সাপ্লাই চেইন বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তার প্রভাব বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোতেও পড়তে পারে।

সর্বাধিক পঠিত

ঝিকরগাছায় নারীকে পিটিয়ে চোখ নষ্টের অভিযোগ, পুলিশের বিরুদ্ধে হয়রানির অভিযোগ

বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা: কৌশলগত কারণে ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ করল ইরান

আপডেট: ০৯:০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি রেভ্যুলেশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। মূলত কৌশলগত কারণ দেখিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে রোববার (১ মার্চ) ইরানি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি দিয়ে আপাতত কোনো জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (UKMTO) নিশ্চিত করেছে যে, তারাও ইরান থেকে এই ধরনের সতর্কবার্তা পেয়েছে।

পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের মধ্যবর্তী এই সরু নৌপথটি বৈশ্বিক জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিসংখ্যান অনুযায়ী:
* বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
* এই প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
* সৌদি আরব, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দেশগুলোর তেল রপ্তানি এই পথের ওপর নির্ভরশীল।

ইরানের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমা দেশগুলো এই পদক্ষেপকে বৈশ্বিক সচলতা ও অর্থনীতির ওপর বড় আঘাত হিসেবে দেখছে। তবে ইরান কতদিন এই অবরোধ বজায় রাখবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি।
> বিশেষ দ্রষ্টব্য: হরমুজ প্রণালি বন্ধের ফলে বিশ্বজুড়ে যে সাপ্লাই চেইন বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তার প্রভাব বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোতেও পড়তে পারে।