০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
নেপালে সহিংস বিক্ষোভের মুখে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ

নেপালে সহিংস বিক্ষোভের মুখে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:০৫:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ১৩২২

নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ ও দুর্নীতির প্রতিবাদে টানা বিক্ষোভ ও সহিংসতার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রেসিডেন্টের কাছে জমা দেওয়া পদত্যাগপত্র ইতোমধ্যেই গৃহীত হয়েছে।

পদত্যাগপত্রে অলি উল্লেখ করেছেন, “বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় রাজনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে নেওয়া জরুরি। তাই সংবিধানের ধারা অনুযায়ী আমি আজ থেকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করছি।”

অলির পদত্যাগ ঘোষণার দিনও নেপাল উত্তাল ছিল। রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন শহরে কারফিউ উপেক্ষা করে বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নেমে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে। তারা প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং পার্লামেন্ট ভবনে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কর্তৃপক্ষ বিমান চলাচল স্থগিত করেছে। সেনাপ্রধান ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানায়। সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে হেলিকপ্টার ব্যবহার করে ভাইস প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে মন্ত্রিসভা সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া হয়।

বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়েছিল ৪ সেপ্টেম্বর, যখন সরকারের সিদ্ধান্তে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউবসহ ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করা হয়। প্রথমে শান্তিপূর্ণ মিছিল হলেও দ্রুত তা সহিংসতায় রূপ নেয়। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে পার্লামেন্টের সংরক্ষিত এলাকায় ঢোকার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ ঘটে।

দুই দিনের সহিংসতায় অন্তত ১৯ জন নিহত এবং অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছেন। এর আগে কয়েকজন মন্ত্রীর পদত্যাগের পর অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়েন কেপি শর্মা অলি। তরুণরা এই আন্দোলনকে ‘জেন-জি রেভল্যুশন’ নামে অভিহিত করেছে।

?

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই জখম

নেপালে সহিংস বিক্ষোভের মুখে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ

নেপালে সহিংস বিক্ষোভের মুখে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ

আপডেট: ০৭:০৫:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ ও দুর্নীতির প্রতিবাদে টানা বিক্ষোভ ও সহিংসতার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রেসিডেন্টের কাছে জমা দেওয়া পদত্যাগপত্র ইতোমধ্যেই গৃহীত হয়েছে।

পদত্যাগপত্রে অলি উল্লেখ করেছেন, “বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় রাজনৈতিক সমাধানের পথ খুঁজে নেওয়া জরুরি। তাই সংবিধানের ধারা অনুযায়ী আমি আজ থেকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করছি।”

অলির পদত্যাগ ঘোষণার দিনও নেপাল উত্তাল ছিল। রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন শহরে কারফিউ উপেক্ষা করে বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নেমে প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছে। তারা প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং পার্লামেন্ট ভবনে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা করে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কর্তৃপক্ষ বিমান চলাচল স্থগিত করেছে। সেনাপ্রধান ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি জানায়। সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে হেলিকপ্টার ব্যবহার করে ভাইস প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে মন্ত্রিসভা সদস্যদের সরিয়ে নেওয়া হয়।

বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়েছিল ৪ সেপ্টেম্বর, যখন সরকারের সিদ্ধান্তে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউবসহ ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করা হয়। প্রথমে শান্তিপূর্ণ মিছিল হলেও দ্রুত তা সহিংসতায় রূপ নেয়। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে পার্লামেন্টের সংরক্ষিত এলাকায় ঢোকার চেষ্টা করলে সংঘর্ষ ঘটে।

দুই দিনের সহিংসতায় অন্তত ১৯ জন নিহত এবং অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছেন। এর আগে কয়েকজন মন্ত্রীর পদত্যাগের পর অবশেষে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়েন কেপি শর্মা অলি। তরুণরা এই আন্দোলনকে ‘জেন-জি রেভল্যুশন’ নামে অভিহিত করেছে।

?