০৩:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যশোরে প্রকাশ্যে ইউপি সদস্যকে মারধর ও অপহরণের চেষ্টা, দুই গ্রেফতার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:৪৭:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৮৭

যশোর শহরের দড়াটানায় সোমবার রাত ১১টার দিকে এক জনপ্রতিনিধিকে প্রকাশ্যে মারধর করে অপহরণের চেষ্টা চালায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র। স্থানীয়দের তৎপরতায় দু’জন হাতেনাতে ধরা পড়ে, আর প্রাইভেটকারসহ অন্যরা পালিয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, পালিয়ে যাওয়া গাড়িতে অস্ত্র ও মাদক ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভিকটিমের বক্তব্য অনুযায়ী, চৌগাছার জাল ব্যবসায়ী আব্দুল জব্বার জসিম ও ৬নং মহেশপুরের কাজীরবেড় ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য শফিকুল ইসলামসহ কয়েকজন ভৈরব হোটেলে খেতে যান। হোটেলে শফিকুল ইসলাম জানান, তাকে অপহরণ করা হয়েছে এবং হত্যার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এরপর জসিম ও তার সহযোগীরা শফিকুলকে মারধর শুরু করেন ও প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

উল্লেখ্য, স্থানীয়রা এগিয়ে আসায় শফিকুলকে বাঁচানো সম্ভব হয় এবং কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জসিম ও তার ভাইপো হৃদয়সহ দু’জনকে গ্রেফতার করে। শফিকুলের অভিযোগ, জসিম মাছ ধরা জালের পাশাপাশি ফেনসিডিল ব্যবসা করে এবং তাকে হত্যা করার পরিকল্পনা ছিল। অন্যদিকে জসিম দাবি করেন, তিনি শফিকুলের কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা ব্যবসার পাওনা টাকা নিতে গিয়েছিলেন।

কোতোয়ালি থানার ওসি আবুল হাসনাত জানান, পুলিশ গ্রেফতারদের হেফাজতে নিয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

সর্বাধিক পঠিত

শার্শায় ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলা, আধুনিক চাষাবাদে কৃষকদের গুরুত্বারোপ

যশোরে প্রকাশ্যে ইউপি সদস্যকে মারধর ও অপহরণের চেষ্টা, দুই গ্রেফতার

আপডেট: ০৬:৪৭:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

যশোর শহরের দড়াটানায় সোমবার রাত ১১টার দিকে এক জনপ্রতিনিধিকে প্রকাশ্যে মারধর করে অপহরণের চেষ্টা চালায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র। স্থানীয়দের তৎপরতায় দু’জন হাতেনাতে ধরা পড়ে, আর প্রাইভেটকারসহ অন্যরা পালিয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, পালিয়ে যাওয়া গাড়িতে অস্ত্র ও মাদক ছিল।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভিকটিমের বক্তব্য অনুযায়ী, চৌগাছার জাল ব্যবসায়ী আব্দুল জব্বার জসিম ও ৬নং মহেশপুরের কাজীরবেড় ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য শফিকুল ইসলামসহ কয়েকজন ভৈরব হোটেলে খেতে যান। হোটেলে শফিকুল ইসলাম জানান, তাকে অপহরণ করা হয়েছে এবং হত্যার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এরপর জসিম ও তার সহযোগীরা শফিকুলকে মারধর শুরু করেন ও প্রাইভেটকারে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

উল্লেখ্য, স্থানীয়রা এগিয়ে আসায় শফিকুলকে বাঁচানো সম্ভব হয় এবং কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে জসিম ও তার ভাইপো হৃদয়সহ দু’জনকে গ্রেফতার করে। শফিকুলের অভিযোগ, জসিম মাছ ধরা জালের পাশাপাশি ফেনসিডিল ব্যবসা করে এবং তাকে হত্যা করার পরিকল্পনা ছিল। অন্যদিকে জসিম দাবি করেন, তিনি শফিকুলের কাছ থেকে আড়াই লাখ টাকা ব্যবসার পাওনা টাকা নিতে গিয়েছিলেন।

কোতোয়ালি থানার ওসি আবুল হাসনাত জানান, পুলিশ গ্রেফতারদের হেফাজতে নিয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।