০২:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

খুলনা কারাগারে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ গ্রেনেড বাবুর সহযোগীদের সংঘর্ষ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:৩০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৬০

: খুলনার ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ গ্রেনেড বাবুর সহযোগী কালা তুহিন এবং পলাশ গ্রুপের মধ্যে খুলনা জেলা কারাগারে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ থামাতে কারারক্ষীরা লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার পর খুলনা জেলা কারা অভ্যন্তরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
খুলনা জেলা কারাগারের সুপার মো. নাসির উদ্দিন প্রধান জানান, শনিবার বিকেলে নতুন জেলা কারাগার মাঠে ক্রীড়া অনুষ্ঠান চলছিল। কারারক্ষীদের একটি অংশ সেখানে চলে যাওয়ায় কারারক্ষী কম থাকার সুযোগে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে কয়েদি ও হাজতিদের দুটি গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে কারাগারের ঘণ্টা বাজানো হয় এবং খেলা ছেড়ে দ্রুত কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন। পরে কারারক্ষীরা লাঠিচার্জ করে কয়েদি ও হাজতিদের ছত্রভঙ্গ করে সেলে নিয়ে যান। বর্তমানে কারাগারে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
জেল সুপার আরও জানান, যারা মারামারিতে অংশ নিয়েছে, তাদের অধিকাংশই যৌথবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে এসেছে এবং বাইরের ঘটনার জের ধরেই কারাগারের ভেতরে এই সংঘর্ষ হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে চোর সন্দেহে গণপিটুনি, গুরুতর আহত

খুলনা কারাগারে ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ গ্রেনেড বাবুর সহযোগীদের সংঘর্ষ

আপডেট: ১২:৩০:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

: খুলনার ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ গ্রেনেড বাবুর সহযোগী কালা তুহিন এবং পলাশ গ্রুপের মধ্যে খুলনা জেলা কারাগারে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষ থামাতে কারারক্ষীরা লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ঘটনার পর খুলনা জেলা কারা অভ্যন্তরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
খুলনা জেলা কারাগারের সুপার মো. নাসির উদ্দিন প্রধান জানান, শনিবার বিকেলে নতুন জেলা কারাগার মাঠে ক্রীড়া অনুষ্ঠান চলছিল। কারারক্ষীদের একটি অংশ সেখানে চলে যাওয়ায় কারারক্ষী কম থাকার সুযোগে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে কয়েদি ও হাজতিদের দুটি গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে কারাগারের ঘণ্টা বাজানো হয় এবং খেলা ছেড়ে দ্রুত কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন। পরে কারারক্ষীরা লাঠিচার্জ করে কয়েদি ও হাজতিদের ছত্রভঙ্গ করে সেলে নিয়ে যান। বর্তমানে কারাগারে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
জেল সুপার আরও জানান, যারা মারামারিতে অংশ নিয়েছে, তাদের অধিকাংশই যৌথবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে এসেছে এবং বাইরের ঘটনার জের ধরেই কারাগারের ভেতরে এই সংঘর্ষ হয়েছে।