০১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
মোমিননগর সমবায় শিল্প ইউনিয়নে আর্থিক অনিয়ম, সাবেক কমিটির ৪ নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ

মোমিননগর সমবায় শিল্প ইউনিয়নে আর্থিক অনিয়ম, সাবেক কমিটির ৪ নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৪৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৭২

যশোরে মোমিননগর সমবায় শিল্প ইউনিয়ন লিমিটেডের সাবেক সভাপতিসহ চারজন নেতার বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। সমবায় অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় যুগ্ম নিবন্ধকের প্রতিবেদনে এই অনিয়মের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত কারা?
অভিযুক্তরা হলেন:
* সাবেক সভাপতি রেজাউল ইসলাম
* সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক
* সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য শহিদুল ইসলাম
* সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য মনির উদ্দিন আহমেদ
বর্তমান কমিটির সভাপতি লোকমান হোসেনসহ চারজন নেতা প্রথমে সাবেক কমিটির এই চার নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, তারা সমবায় সমিতি আইন, বিধি ও উপবিধি লঙ্ঘন করে স্বেচ্ছাচারিতা ও আর্থিক অনিয়ম করেছেন।
তদন্তে যা বেরিয়ে এসেছে
খুলনা বিভাগীয় নিবন্ধকের কাছে অভিযোগ জমা পড়ার পর এর তদন্তের দায়িত্ব পান যশোর জেলা সমবায় কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান। দুই মাস তদন্তের পর তিনি একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন। সেই প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে যুগ্ম নিবন্ধক মোহাম্মদ নূরুন্নবী তার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত সমিতির তৎকালীন ব্যবস্থাপনা কমিটি একজন উপদেষ্টা নিয়োগ করে, যা সমবায় সমিতি বিধিমালা ২০০৪ (সংশোধন ২০২০) এর বিধি ৩৭ অনুযায়ী আইন পরিপন্থী। আইন লঙ্ঘন করে উপদেষ্টা নিয়োগের পাশাপাশি তাকে ২৪ হাজার ৮০০ টাকা সম্মানীও দেওয়া হয়, যা সমিতির আর্থিক ক্ষতি করেছে।
যুগ্ম নিবন্ধক তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন যে, কোনো সমিতির বাৎসরিক বাজেটে সংস্থান থাকলে এবং সাধারণ সভার অনুমোদন সাপেক্ষে শুধুমাত্র ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের বিশেষ কাজের জন্য ভাতা দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু উপদেষ্টা নিয়োগ বা তাকে ভাতা দেওয়ার কোনো বিধান সমবায় আইন বা উপ-আইনে নেই।
পরবর্তী পদক্ষেপ
এই আর্থিক ক্ষতির জন্য দায়ী সাবেক কমিটির চার নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, বর্তমান কমিটিকেও সমবায় আইন, বিধিমালা এবং সমিতির উপ-আইন অনুসরণ করে সমিতি পরিচালনার জন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

বিজিবি ও স্থানীয়দের প্রতিবাদে পঞ্চগড় সীমান্ত থেকে ১০ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ

মোমিননগর সমবায় শিল্প ইউনিয়নে আর্থিক অনিয়ম, সাবেক কমিটির ৪ নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ

মোমিননগর সমবায় শিল্প ইউনিয়নে আর্থিক অনিয়ম, সাবেক কমিটির ৪ নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ

আপডেট: ১০:৪৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

যশোরে মোমিননগর সমবায় শিল্প ইউনিয়ন লিমিটেডের সাবেক সভাপতিসহ চারজন নেতার বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। সমবায় অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় যুগ্ম নিবন্ধকের প্রতিবেদনে এই অনিয়মের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত কারা?
অভিযুক্তরা হলেন:
* সাবেক সভাপতি রেজাউল ইসলাম
* সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক
* সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য শহিদুল ইসলাম
* সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য মনির উদ্দিন আহমেদ
বর্তমান কমিটির সভাপতি লোকমান হোসেনসহ চারজন নেতা প্রথমে সাবেক কমিটির এই চার নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। অভিযোগে বলা হয়, তারা সমবায় সমিতি আইন, বিধি ও উপবিধি লঙ্ঘন করে স্বেচ্ছাচারিতা ও আর্থিক অনিয়ম করেছেন।
তদন্তে যা বেরিয়ে এসেছে
খুলনা বিভাগীয় নিবন্ধকের কাছে অভিযোগ জমা পড়ার পর এর তদন্তের দায়িত্ব পান যশোর জেলা সমবায় কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান। দুই মাস তদন্তের পর তিনি একটি প্রতিবেদন দাখিল করেন। সেই প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে যুগ্ম নিবন্ধক মোহাম্মদ নূরুন্নবী তার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত সমিতির তৎকালীন ব্যবস্থাপনা কমিটি একজন উপদেষ্টা নিয়োগ করে, যা সমবায় সমিতি বিধিমালা ২০০৪ (সংশোধন ২০২০) এর বিধি ৩৭ অনুযায়ী আইন পরিপন্থী। আইন লঙ্ঘন করে উপদেষ্টা নিয়োগের পাশাপাশি তাকে ২৪ হাজার ৮০০ টাকা সম্মানীও দেওয়া হয়, যা সমিতির আর্থিক ক্ষতি করেছে।
যুগ্ম নিবন্ধক তার প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন যে, কোনো সমিতির বাৎসরিক বাজেটে সংস্থান থাকলে এবং সাধারণ সভার অনুমোদন সাপেক্ষে শুধুমাত্র ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের বিশেষ কাজের জন্য ভাতা দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু উপদেষ্টা নিয়োগ বা তাকে ভাতা দেওয়ার কোনো বিধান সমবায় আইন বা উপ-আইনে নেই।
পরবর্তী পদক্ষেপ
এই আর্থিক ক্ষতির জন্য দায়ী সাবেক কমিটির চার নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, বর্তমান কমিটিকেও সমবায় আইন, বিধিমালা এবং সমিতির উপ-আইন অনুসরণ করে সমিতি পরিচালনার জন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।