১০:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫: অনলাইন জুয়া, জালিয়াতি ও প্রতারণায় দুই বছরের জেল বা ১ কোটি টাকা জরিমানা

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫: অনলাইন জুয়া, জালিয়াতি ও প্রতারণায় দুই বছরের জেল বা ১ কোটি টাকা জরিমানা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৭৪

সম্প্রতি জারি হওয়া সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫ অনুযায়ী, অনলাইন জুয়া, জালিয়াতি ও প্রতারণার ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এই অপরাধে দোষী প্রমাণিত হলে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, এক কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডই হতে পারে।
শুক্রবার এক সরকারি তথ্যবিবরণীতে এই নতুন আইনের কথা জানানো হয়। অধ্যাদেশের ২০ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা যদি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার জন্য পোর্টাল, অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি, পরিচালনা, বা তাতে অংশগ্রহণ করে, অথবা জুয়ায় সহায়তা ও উৎসাহ দেয়, তাহলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে।
জুয়াকে উৎসাহিত করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক, গুগল, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটার বা টিকটকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বিজ্ঞাপন দেওয়াও এই আইনের আওতায় আসবে।
এছাড়াও, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী অনলাইন জুয়া বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। জনস্বার্থে অনলাইন জুয়ার সব গেটওয়ে, অ্যাপ্লিকেশন, লিংক, ওয়েবসাইট এবং বিজ্ঞাপন বন্ধ, ব্লক বা অপসারণ করার জন্য সব ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে অনুরোধ করা হয়েছে।
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার যদি আরও কোনো প্রশ্ন থাকে, তাহলে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

সর্বাধিক পঠিত

বিসিবির পরিচালক নির্বাচিত হলেন যশোরের সন্তান শান্তনু ইসলাম সুমিত

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫: অনলাইন জুয়া, জালিয়াতি ও প্রতারণায় দুই বছরের জেল বা ১ কোটি টাকা জরিমানা

সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫: অনলাইন জুয়া, জালিয়াতি ও প্রতারণায় দুই বছরের জেল বা ১ কোটি টাকা জরিমানা

আপডেট: ০৯:০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সম্প্রতি জারি হওয়া সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫ অনুযায়ী, অনলাইন জুয়া, জালিয়াতি ও প্রতারণার ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এই অপরাধে দোষী প্রমাণিত হলে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, এক কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডই হতে পারে।
শুক্রবার এক সরকারি তথ্যবিবরণীতে এই নতুন আইনের কথা জানানো হয়। অধ্যাদেশের ২০ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা যদি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার জন্য পোর্টাল, অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি, পরিচালনা, বা তাতে অংশগ্রহণ করে, অথবা জুয়ায় সহায়তা ও উৎসাহ দেয়, তাহলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে।
জুয়াকে উৎসাহিত করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক, গুগল, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, টুইটার বা টিকটকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে বিজ্ঞাপন দেওয়াও এই আইনের আওতায় আসবে।
এছাড়াও, হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী অনলাইন জুয়া বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। জনস্বার্থে অনলাইন জুয়ার সব গেটওয়ে, অ্যাপ্লিকেশন, লিংক, ওয়েবসাইট এবং বিজ্ঞাপন বন্ধ, ব্লক বা অপসারণ করার জন্য সব ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে অনুরোধ করা হয়েছে।
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার যদি আরও কোনো প্রশ্ন থাকে, তাহলে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।