০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
যশোরে জামায়াত কর্মী সজল হত্যায় কিশোর গ্যাং সদস্য আটক

যশোরে জামায়াত কর্মী সজল হত্যায় কিশোর গ্যাং সদস্য আটক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৬১

যশোর শহরের খড়কি এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর কর্মী আমিনুল ইসলাম সজল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সুজয় দাস নামে এক যুবককে আটক করেছে সিআইডি। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কিশোর গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত সুজয় দাস শহরের বেজপাড়া এলাকার বিদ্যুৎ দাসের ছেলে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক তুষার কুমার মণ্ডল সোমবার গভীর রাতে বেজপাড়া থেকে তাকে আটক করেন। মঙ্গলবার তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত বছরের ৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় জামায়াত কর্মী আমিনুল ইসলাম ওরফে সজলকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর প্রথমে ডিবি পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং সন্দেহভাজন দুই আসামি সাদমান রহমান ও আল-আমিন হোসেনকে আটক করে। তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং আরও তিনজনের নাম প্রকাশ করে, যারা হলেন রায়হান আহমেদ, আবদুর রহমান ওরফে সাগর এবং রিয়াদ হাসান। এই পাঁচজনকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে মামলার তদন্তের দায়িত্ব সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। সিআইডির তদন্তে উঠে আসে যে, সুজয় দাস এই কিশোর গ্যাং চক্রের অন্যতম মূল হোতা।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন:

যশোরে জামায়াত কর্মী সজল হত্যায় কিশোর গ্যাং সদস্য আটক

যশোরে জামায়াত কর্মী সজল হত্যায় কিশোর গ্যাং সদস্য আটক

আপডেট: ১০:০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

যশোর শহরের খড়কি এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর কর্মী আমিনুল ইসলাম সজল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সুজয় দাস নামে এক যুবককে আটক করেছে সিআইডি। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কিশোর গ্যাংয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়।
আটককৃত সুজয় দাস শহরের বেজপাড়া এলাকার বিদ্যুৎ দাসের ছেলে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক তুষার কুমার মণ্ডল সোমবার গভীর রাতে বেজপাড়া থেকে তাকে আটক করেন। মঙ্গলবার তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত বছরের ৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় জামায়াত কর্মী আমিনুল ইসলাম ওরফে সজলকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর প্রথমে ডিবি পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং সন্দেহভাজন দুই আসামি সাদমান রহমান ও আল-আমিন হোসেনকে আটক করে। তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং আরও তিনজনের নাম প্রকাশ করে, যারা হলেন রায়হান আহমেদ, আবদুর রহমান ওরফে সাগর এবং রিয়াদ হাসান। এই পাঁচজনকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে মামলার তদন্তের দায়িত্ব সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। সিআইডির তদন্তে উঠে আসে যে, সুজয় দাস এই কিশোর গ্যাং চক্রের অন্যতম মূল হোতা।