০৪:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

দুই কমিশনারসহ পাঁচজনের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে দুদক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৫৩:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুলাই ২০২৫
  • ৬৩৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:
দুর্নীতি, ঘুষ ও রাজস্ব ফাঁকির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুই কমিশনারসহ পাঁচজন শীর্ষ কর কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

দুদকের তথ্যানুসারে, অভিযুক্ত পাঁচ কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন—

কাজী মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, কমিশনার, কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (পূর্ব)

মো. কামরুজ্জামান, কমিশনার, বেনাপোল কাস্টম হাউস

মো. মামুন মিয়া, উপকর কমিশনার, রাজশাহী কর অঞ্চল, সার্কেল-৭ (বর্তমানে যুগ্ম কর কমিশনার)

সেহেলা সিদ্দিকা, অতিরিক্ত কমিশনার, আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট

লোকমান আহমেদ, কর পরিদর্শক, কর অঞ্চল-২, ঢাকা

দুদক জানায়, অভিযুক্ত এসব কর্মকর্তা চাকরির বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্টেশনে দায়িত্ব পালনকালে ঘুষ ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে কর ফাঁকিতে সহায়তা করে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, অভিযুক্তদের মধ্যে সেহেলা সিদ্দিকা এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের মহাসচিব, এবং লোকমান আহমেদ ছিলেন পরিষদের সক্রিয় সদস্য। এর আগে দুদক আরও ১১ কর্মকর্তার সম্পদ অনুসন্ধানে নামে। ফলে এখন পর্যন্ত মোট ১৬ জন এনবিআর কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কার্যক্রম চালাচ্ছে সংস্থাটি।

দুদক সূত্রে আরও জানা যায়, ঘুষ ছাড়া অতিরিক্ত কর ফেরত পাওয়া, কর মওকুফ কিংবা কমিয়ে দেওয়ার নানা ক্ষেত্রে এনবিআরের কিছু কর্মকর্তা অবৈধ সুবিধা দিয়ে আসছেন। অভিযোগ রয়েছে, করদাতা বেশি কর পরিশোধ করলে তা ফেরত পেতে হলে ঘুষ বা উপহারের মাধ্যমেই তা আদায় করতে হয়। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে ঘুষ না দিলে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয় বলেও জানা গেছে।

সরকার প্রতিবছর এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানান দুদক কর্মকর্তারা।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন:

দুই কমিশনারসহ পাঁচজনের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধানে দুদক

আপডেট: ১০:৫৩:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুলাই ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক:
দুর্নীতি, ঘুষ ও রাজস্ব ফাঁকির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুই কমিশনারসহ পাঁচজন শীর্ষ কর কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

দুদকের তথ্যানুসারে, অভিযুক্ত পাঁচ কর্মকর্তার মধ্যে রয়েছেন—

কাজী মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন, কমিশনার, কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, ঢাকা (পূর্ব)

মো. কামরুজ্জামান, কমিশনার, বেনাপোল কাস্টম হাউস

মো. মামুন মিয়া, উপকর কমিশনার, রাজশাহী কর অঞ্চল, সার্কেল-৭ (বর্তমানে যুগ্ম কর কমিশনার)

সেহেলা সিদ্দিকা, অতিরিক্ত কমিশনার, আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট

লোকমান আহমেদ, কর পরিদর্শক, কর অঞ্চল-২, ঢাকা

দুদক জানায়, অভিযুক্ত এসব কর্মকর্তা চাকরির বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্টেশনে দায়িত্ব পালনকালে ঘুষ ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে কর ফাঁকিতে সহায়তা করে সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, অভিযুক্তদের মধ্যে সেহেলা সিদ্দিকা এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের মহাসচিব, এবং লোকমান আহমেদ ছিলেন পরিষদের সক্রিয় সদস্য। এর আগে দুদক আরও ১১ কর্মকর্তার সম্পদ অনুসন্ধানে নামে। ফলে এখন পর্যন্ত মোট ১৬ জন এনবিআর কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান কার্যক্রম চালাচ্ছে সংস্থাটি।

দুদক সূত্রে আরও জানা যায়, ঘুষ ছাড়া অতিরিক্ত কর ফেরত পাওয়া, কর মওকুফ কিংবা কমিয়ে দেওয়ার নানা ক্ষেত্রে এনবিআরের কিছু কর্মকর্তা অবৈধ সুবিধা দিয়ে আসছেন। অভিযোগ রয়েছে, করদাতা বেশি কর পরিশোধ করলে তা ফেরত পেতে হলে ঘুষ বা উপহারের মাধ্যমেই তা আদায় করতে হয়। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে ঘুষ না দিলে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয় বলেও জানা গেছে।

সরকার প্রতিবছর এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানান দুদক কর্মকর্তারা।