০৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

বাঘারপাড়ায় শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:৩৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৭৩

বাঘারপাড়া উপজেলায় এক মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক নাজমুস সাকিবকে আটক করেছে বাঘারপাড়া থানা পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার বুধোপুর গ্রামের মাদ্রাসাতুস সুফফাহ মাদ্রাসায়। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিক্ষক নাজমুস সাকিবকে আটক করে। আটক শিক্ষক যশোর সদর উপজেলার রামনগর পুকুরকুলপাড়ার রমজান মোল্লার ছেলে। জানা গেছে, নাজমুস সাকিব ও তার স্ত্রী দুজনেই ওই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ওই মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ছাত্র।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার ভোরে শিক্ষার্থীটি যখন পড়ছিল, তখন শিক্ষক নাজমুস সাকিব তাকে নিজের রুমে ডেকে নিয়ে যান। এরপর তিনি ওই শিক্ষার্থীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন এবং যৌন হয়রানি করেন। পরে শিক্ষার্থীটি তার পরিবারকে বিষয়টি জানায়।
সকালে শিক্ষার্থীর পরিবারের লোকজন মাদ্রাসায় হাজির হলে স্থানীয়রাও ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমুস সাকিবকে আটক করে।
মঙ্গলবার বিকেলে নাজমুস সাকিবকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সর্বাধিক পঠিত

তেজগাঁও কলেজের নবনিযুক্ত দুই উপাধ্যক্ষকে প্রেস ক্লাবের ফুলেল শুভেচ্ছা

বাঘারপাড়ায় শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

আপডেট: ০৮:৩৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ অক্টোবর ২০২৫

বাঘারপাড়া উপজেলায় এক মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক নাজমুস সাকিবকে আটক করেছে বাঘারপাড়া থানা পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার ভোরে উপজেলার বুধোপুর গ্রামের মাদ্রাসাতুস সুফফাহ মাদ্রাসায়। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিক্ষক নাজমুস সাকিবকে আটক করে। আটক শিক্ষক যশোর সদর উপজেলার রামনগর পুকুরকুলপাড়ার রমজান মোল্লার ছেলে। জানা গেছে, নাজমুস সাকিব ও তার স্ত্রী দুজনেই ওই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ওই মাদ্রাসার হিফজ বিভাগের ছাত্র।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার ভোরে শিক্ষার্থীটি যখন পড়ছিল, তখন শিক্ষক নাজমুস সাকিব তাকে নিজের রুমে ডেকে নিয়ে যান। এরপর তিনি ওই শিক্ষার্থীর স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন এবং যৌন হয়রানি করেন। পরে শিক্ষার্থীটি তার পরিবারকে বিষয়টি জানায়।
সকালে শিক্ষার্থীর পরিবারের লোকজন মাদ্রাসায় হাজির হলে স্থানীয়রাও ক্ষোভে ফেটে পড়েন এবং এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত শিক্ষক নাজমুস সাকিবকে আটক করে।
মঙ্গলবার বিকেলে নাজমুস সাকিবকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।