০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
রাসুলুল্লাহ (সা.)’র আচরণ ও জীবনধারার উদাহরণ

রাসুলুল্লাহ (সা.)’র আচরণ ও জীবনধারার উদাহরণ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৭৬

সাহাবিদের দৃষ্টি ও স্মরণীয় অভ্যাস:

রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতিদিন নামাজের সময় “আকবার” উচ্চারণ করতেন এবং নামাজ শেষে “সুবাহানআল্লাহ” বলতেন। হাঁচির পর তিনি “আলহামদুলিল্লাহ” উচ্চারণ করতেন এবং অন্যদেরও হাঁচির জবাব দেওয়ার উপদেশ দিতেন। (মুসলিম: ২৩৩০)

রোগীর সেবা:
নিজ এলাকায় কেউ অসুস্থ হলে নবীজি (সা.) হেঁটে তার বাড়িতে যেতেন। অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করে রোগীর সেবা করতেন, কপালে হাত রাখতেন এবং আরোগ্যের জন্য দোয়া করতেন। অমুসলিম রোগীদেরও তিনি সমানভাবে সেবা দিতেন। (মুসলিম: ২১৬২)

হাস্য-রসিকতা:
রাসুলুল্লাহ (সা.) মাঝে মাঝে কৌতুক করতেন, যা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। একবার তিনি এক সাহাবিকে বললেন, “ওহে দুই কানওয়ালা।” অন্যদিকে এক বৃদ্ধা মহিলাকে বলেছিলেন, “কোনো বৃদ্ধা মহিলা জান্নাতে যাবে না।” বৃদ্ধা কাঁদতে শুরু করলে নবীজি (সা.) বললেন, “বৃদ্ধারা যুবতী হয়েই জান্নাতে যাবে।” (বোখারি: ১৯১৪)

পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যের গুরুত্ব:
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নবীজির (সা.) মতে ইমানের অংশ। তিনি নিয়মিত গোসল করতেন, নাক বাঁ হাতে পরিষ্কার করতেন এবং প্রাকৃতিক প্রয়োজনের পর বাম হাতে পানি ব্যবহার করতেন। সাহাবিদেরও পরিচ্ছন্নতার প্রতি গুরুত্বারোপ করতেন। (মুসলিম: ৫৫৬)

সর্বাধিক পঠিত

ইসরাফিল সরদারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ দাবি, বেনাপোলে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন

রাসুলুল্লাহ (সা.)’র আচরণ ও জীবনধারার উদাহরণ

রাসুলুল্লাহ (সা.)’র আচরণ ও জীবনধারার উদাহরণ

আপডেট: ০১:৩৫:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সাহাবিদের দৃষ্টি ও স্মরণীয় অভ্যাস:

রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতিদিন নামাজের সময় “আকবার” উচ্চারণ করতেন এবং নামাজ শেষে “সুবাহানআল্লাহ” বলতেন। হাঁচির পর তিনি “আলহামদুলিল্লাহ” উচ্চারণ করতেন এবং অন্যদেরও হাঁচির জবাব দেওয়ার উপদেশ দিতেন। (মুসলিম: ২৩৩০)

রোগীর সেবা:
নিজ এলাকায় কেউ অসুস্থ হলে নবীজি (সা.) হেঁটে তার বাড়িতে যেতেন। অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করে রোগীর সেবা করতেন, কপালে হাত রাখতেন এবং আরোগ্যের জন্য দোয়া করতেন। অমুসলিম রোগীদেরও তিনি সমানভাবে সেবা দিতেন। (মুসলিম: ২১৬২)

হাস্য-রসিকতা:
রাসুলুল্লাহ (সা.) মাঝে মাঝে কৌতুক করতেন, যা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। একবার তিনি এক সাহাবিকে বললেন, “ওহে দুই কানওয়ালা।” অন্যদিকে এক বৃদ্ধা মহিলাকে বলেছিলেন, “কোনো বৃদ্ধা মহিলা জান্নাতে যাবে না।” বৃদ্ধা কাঁদতে শুরু করলে নবীজি (সা.) বললেন, “বৃদ্ধারা যুবতী হয়েই জান্নাতে যাবে।” (বোখারি: ১৯১৪)

পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যের গুরুত্ব:
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নবীজির (সা.) মতে ইমানের অংশ। তিনি নিয়মিত গোসল করতেন, নাক বাঁ হাতে পরিষ্কার করতেন এবং প্রাকৃতিক প্রয়োজনের পর বাম হাতে পানি ব্যবহার করতেন। সাহাবিদেরও পরিচ্ছন্নতার প্রতি গুরুত্বারোপ করতেন। (মুসলিম: ৫৫৬)