০৬:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর’ তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে সরব বিএনপি নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৪৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৫০

ভারতের পশ্চিমবঙ্গভিত্তিক ইউটিউব চ্যানেল “আর ডট বাংলা”-তে বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে “ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর” তথ্য প্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
শনিবার (২২ নভেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এই প্রতিবাদ জানান।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত অভিযোগ করেন, চ্যানেলটির দুই আলোচক সম্পূর্ণ অযাচিতভাবে বাংলাদেশের রাজনীতি সম্পর্কে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বর্ণনা দিচ্ছেন। বিশেষ করে, যশোরকে কেন্দ্র করে ভারতবিরোধী রাজনীতির ‘ছক কষা হয়েছে’ মর্মে যে দাবি করা হয়েছে, তা তিনি “নির্জন অসত্য ও কাল্পনিক” বলে উল্লেখ করেন।
মিথ্যাচার ও কল্পিত গল্প:
বিএনপি নেতা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় কিছু গণমাধ্যম ও ইউটিউবভিত্তিক কনটেন্টে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে নানা ধরনের “আজগুবি গল্প” পরিবেশন করা হচ্ছে। পাকিস্তানের কোনো নেতার যশোরে আসার কথিত প্রসঙ্গ টেনে তিনি মন্তব্য করেন, এটি “সিনেমার মতো কাল্পনিক কাহিনী ছাড়া আর কিছু নয়।”
এছাড়াও তিনি তাঁর চাচাতো ভাই এবং যশোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ সম্পাদক তানভীরুল ইসলাম সোহানকে হিজবুত তাহরিরের সদস্য হিসেবে উপস্থাপনের কঠোর নিন্দা জানিয়ে এটিকে “অত্যন্ত জঘন্য ও সম্পূর্ণ মিথ্যা” বলে অভিহিত করেন। দেশের আরও কয়েকজন সুপরিচিত ব্যক্তির বিরুদ্ধেও একই ধরনের অসত্য তথ্য প্রচারের অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি উল্লেখ করেন যে, গবেষণা ও ইসলামী শিক্ষাবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘আদ দ্বীন’-এর নির্বাহী পরিচালক ডা. মহিউদ্দিন কয়েক মাস ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করলেও ভারতীয় কিছু গণমাধ্যম তাকে সিসিটিভি ফুটেজে থাকার দাবি করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
শেরে বাংলার উক্তি স্মরণ:
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় কিছু গণমাধ্যম বাংলাদেশি রাজনীতিবিদদের চরিত্রহননে কল্পকাহিনীভিত্তিক ‘সরস গল্প’ তৈরি করছে। এতে আমি বিচলিত নই; বরং জনগণ এসব অপপ্রচারের প্রকৃতি বুঝে ফেলেছেন।”
এ প্রসঙ্গে তিনি শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের বিখ্যাত উক্তি স্মরণ করিয়ে বলেন:
> “ভারতের পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে লেখা হলে বুঝবে আমি সঠিক পথে আছি; আর পক্ষে লেখা হলে বুঝবে আমি ভুল পথে আছি।”
>
বিবৃতির শেষে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “দুঃখজনকভাবে ভারতীয় মিডিয়ার এই অপসংস্কৃতি আধুনিক সময়েও রয়ে গেছে।” একই সঙ্গে তিনি দেশবাসীকে “দুর্গন্ধযুক্ত, মিথ্যাচারনির্ভর ভিউনির্ভর কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের” বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

সর্বাধিক পঠিত

৩০০ টাকার কেনাকাটায় রয়েল এনফিল্ড জিতলেন যশোরের হৃদয়

ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর’ তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে সরব বিএনপি নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

আপডেট: ০৯:৪৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

ভারতের পশ্চিমবঙ্গভিত্তিক ইউটিউব চ্যানেল “আর ডট বাংলা”-তে বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে “ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর” তথ্য প্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
শনিবার (২২ নভেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এই প্রতিবাদ জানান।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত অভিযোগ করেন, চ্যানেলটির দুই আলোচক সম্পূর্ণ অযাচিতভাবে বাংলাদেশের রাজনীতি সম্পর্কে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বর্ণনা দিচ্ছেন। বিশেষ করে, যশোরকে কেন্দ্র করে ভারতবিরোধী রাজনীতির ‘ছক কষা হয়েছে’ মর্মে যে দাবি করা হয়েছে, তা তিনি “নির্জন অসত্য ও কাল্পনিক” বলে উল্লেখ করেন।
মিথ্যাচার ও কল্পিত গল্প:
বিএনপি নেতা বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় কিছু গণমাধ্যম ও ইউটিউবভিত্তিক কনটেন্টে বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে নানা ধরনের “আজগুবি গল্প” পরিবেশন করা হচ্ছে। পাকিস্তানের কোনো নেতার যশোরে আসার কথিত প্রসঙ্গ টেনে তিনি মন্তব্য করেন, এটি “সিনেমার মতো কাল্পনিক কাহিনী ছাড়া আর কিছু নয়।”
এছাড়াও তিনি তাঁর চাচাতো ভাই এবং যশোর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাধারণ সম্পাদক তানভীরুল ইসলাম সোহানকে হিজবুত তাহরিরের সদস্য হিসেবে উপস্থাপনের কঠোর নিন্দা জানিয়ে এটিকে “অত্যন্ত জঘন্য ও সম্পূর্ণ মিথ্যা” বলে অভিহিত করেন। দেশের আরও কয়েকজন সুপরিচিত ব্যক্তির বিরুদ্ধেও একই ধরনের অসত্য তথ্য প্রচারের অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি উল্লেখ করেন যে, গবেষণা ও ইসলামী শিক্ষাবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ‘আদ দ্বীন’-এর নির্বাহী পরিচালক ডা. মহিউদ্দিন কয়েক মাস ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করলেও ভারতীয় কিছু গণমাধ্যম তাকে সিসিটিভি ফুটেজে থাকার দাবি করে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
শেরে বাংলার উক্তি স্মরণ:
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় কিছু গণমাধ্যম বাংলাদেশি রাজনীতিবিদদের চরিত্রহননে কল্পকাহিনীভিত্তিক ‘সরস গল্প’ তৈরি করছে। এতে আমি বিচলিত নই; বরং জনগণ এসব অপপ্রচারের প্রকৃতি বুঝে ফেলেছেন।”
এ প্রসঙ্গে তিনি শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের বিখ্যাত উক্তি স্মরণ করিয়ে বলেন:
> “ভারতের পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে লেখা হলে বুঝবে আমি সঠিক পথে আছি; আর পক্ষে লেখা হলে বুঝবে আমি ভুল পথে আছি।”
>
বিবৃতির শেষে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, “দুঃখজনকভাবে ভারতীয় মিডিয়ার এই অপসংস্কৃতি আধুনিক সময়েও রয়ে গেছে।” একই সঙ্গে তিনি দেশবাসীকে “দুর্গন্ধযুক্ত, মিথ্যাচারনির্ভর ভিউনির্ভর কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের” বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।