০১:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

চাঞ্চল্যকর চয়ন দাস হত্যা: প্রধান আসামি হৃদয় আদালতে আত্মসমর্পণ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:২৪:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৬০

যশোরের চাঞ্চল্যকর চয়ন দাস হত্যা মামলার প্রধান আসামি হৃদয় কুমার দাস বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর, ২০২৫) আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। তিনি জামিনের আবেদন জানালে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
হৃদয় কুমার যশোর সদর উপজেলার শানতলা গ্রামের কৃষ্ণকুমারের ছেলে।
এর আগে, গত বুধবার (১৯ নভেম্বর, ২০২৫) এই মামলার অপর দুই আসামি—হৃদয় কুমারের ভাই মানিক কুমার ও মুক্ত কুমারকে র‍্যাব আটক করে আদালতে সোপর্দ করে।
ঘটনার সূত্রপাত:
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলার চুড়ামনকাঠি কুন্ডুপাড়ায় একটি নামযজ্ঞ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রামের দাসপাড়ার যুবকদের মধ্যে প্রথমে বিরোধ শুরু হয়। এই বিরোধের জের ধরে পরদিন মল্লিকপুরে সংঘর্ষ বাধে, যাতে চয়ন দাসের বন্ধু জবীন ও স্বাধীন দাস ছুরিকাহত হন।
হত্যা:
আহত বন্ধুদের দেখতে ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে হাসপাতালে যান চয়ন দাস। হাসপাতাল থেকে ফেরার পথে শানতলায় প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন তিনি। সেখানে তাকে রাস্তার ওপর ফেলে গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ।
এই ঘটনার পর চয়ন দাসের পিতা নয়ন দাস বাদী হয়ে যশোর কোতোয়ালি থানায় মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন

সর্বাধিক পঠিত

শার্শায় বাক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার ১

চাঞ্চল্যকর চয়ন দাস হত্যা: প্রধান আসামি হৃদয় আদালতে আত্মসমর্পণ

আপডেট: ০৮:২৪:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

যশোরের চাঞ্চল্যকর চয়ন দাস হত্যা মামলার প্রধান আসামি হৃদয় কুমার দাস বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর, ২০২৫) আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। তিনি জামিনের আবেদন জানালে বিচারক তা নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
হৃদয় কুমার যশোর সদর উপজেলার শানতলা গ্রামের কৃষ্ণকুমারের ছেলে।
এর আগে, গত বুধবার (১৯ নভেম্বর, ২০২৫) এই মামলার অপর দুই আসামি—হৃদয় কুমারের ভাই মানিক কুমার ও মুক্ত কুমারকে র‍্যাব আটক করে আদালতে সোপর্দ করে।
ঘটনার সূত্রপাত:
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলার চুড়ামনকাঠি কুন্ডুপাড়ায় একটি নামযজ্ঞ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রামের দাসপাড়ার যুবকদের মধ্যে প্রথমে বিরোধ শুরু হয়। এই বিরোধের জের ধরে পরদিন মল্লিকপুরে সংঘর্ষ বাধে, যাতে চয়ন দাসের বন্ধু জবীন ও স্বাধীন দাস ছুরিকাহত হন।
হত্যা:
আহত বন্ধুদের দেখতে ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে হাসপাতালে যান চয়ন দাস। হাসপাতাল থেকে ফেরার পথে শানতলায় প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন তিনি। সেখানে তাকে রাস্তার ওপর ফেলে গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ।
এই ঘটনার পর চয়ন দাসের পিতা নয়ন দাস বাদী হয়ে যশোর কোতোয়ালি থানায় মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন