১২:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সরকার কর্তৃক ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:৫৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৫৬

সরকার কর্তৃক ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ (ভিভিআইপি) ঘোষণার পর তার নিরাপত্তা প্রটোকলের অংশ হিসেবে এভারকেয়ার হাসপাতালের নিকটস্থ উন্মুক্ত মাঠে হেলিকপ্টার পরীক্ষামূলক অবতরণ ও উড্ডয়ন পরিচালনা করবে বিশেষ নিরাপত্তা
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করে এই মহড়া পরিচালনা করা হবে।
বুধবার (৩ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রেস উইং এ বিষয়ে কোনো ধরনের অপপ্রচার বা বিভ্রান্তি থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণকে অনুরোধ জানিয়েছে।
ভিভিআইপি ঘোষণা ও নিরাপত্তা জোরদার
গত সোমবার (১ ডিসেম্বর) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে চিকিৎসাধীন বেগম খালেদা জিয়াকে ‘ভিভিআইপি’ ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) নিয়োগ দেওয়া হয়।
ভিভিআইপি ঘোষণার পর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহুগুণে জোরদার করা হয়েছে। হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে দুই দিকে ব্যারিকেড স্থাপন করা হয়েছে এবং পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট লোকজন ছাড়া অন্যদের ভিড় করতে দেওয়া হচ্ছে না।
উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়া গত ২৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার ফুসফুসে ইনফেকশন ধরা পড়ে এবং তার অবস্থা সংকটময় বলে জানানো হয়। এরপর গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) থেকে তাকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি মেডিকেল বোর্ডের অধীনে নিবিড় চিকিৎসাসেবা চলছে।
বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইন, ২০২১ অনুযায়ী, এসএসএফ বাংলাদেশে অবস্থানরত যে কোনো ভিভিআইপিকে দৈহিক নিরাপত্তা প্রদান করে এবং নিরাপত্তার বিঘ্ন ঘটাতে পারে এমন সব ব্যবস্থা গ্রহণ করে। আইনটির ৮(২) ধারায় বলা হয়েছে, সরকার কাউকে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করলে তার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের দায়িত্ব এসএসএফের ওপর বর্তায়।
এই আইন বলে এসএসএফ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার করতে পারে এবং পরিস্থিতি গুরুতর হলে প্রাণঘাতী ব্যবস্থা গ্রহণের বিধানও রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

ভারতের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১৯ হাজার সংবেদনশীল তথ্য ফাঁস,

বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সরকার কর্তৃক ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি

আপডেট: ০২:৫৬:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

সরকার কর্তৃক ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ (ভিভিআইপি) ঘোষণার পর তার নিরাপত্তা প্রটোকলের অংশ হিসেবে এভারকেয়ার হাসপাতালের নিকটস্থ উন্মুক্ত মাঠে হেলিকপ্টার পরীক্ষামূলক অবতরণ ও উড্ডয়ন পরিচালনা করবে বিশেষ নিরাপত্তা
বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টার ব্যবহার করে এই মহড়া পরিচালনা করা হবে।
বুধবার (৩ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রেস উইং এ বিষয়ে কোনো ধরনের অপপ্রচার বা বিভ্রান্তি থেকে বিরত থাকার জন্য সর্বসাধারণকে অনুরোধ জানিয়েছে।
ভিভিআইপি ঘোষণা ও নিরাপত্তা জোরদার
গত সোমবার (১ ডিসেম্বর) এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে চিকিৎসাধীন বেগম খালেদা জিয়াকে ‘ভিভিআইপি’ ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ) নিয়োগ দেওয়া হয়।
ভিভিআইপি ঘোষণার পর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বহুগুণে জোরদার করা হয়েছে। হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে দুই দিকে ব্যারিকেড স্থাপন করা হয়েছে এবং পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট লোকজন ছাড়া অন্যদের ভিড় করতে দেওয়া হচ্ছে না।
উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়া গত ২৩ নভেম্বর থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় তার ফুসফুসে ইনফেকশন ধরা পড়ে এবং তার অবস্থা সংকটময় বলে জানানো হয়। এরপর গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) থেকে তাকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত একটি মেডিকেল বোর্ডের অধীনে নিবিড় চিকিৎসাসেবা চলছে।
বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইন, ২০২১ অনুযায়ী, এসএসএফ বাংলাদেশে অবস্থানরত যে কোনো ভিভিআইপিকে দৈহিক নিরাপত্তা প্রদান করে এবং নিরাপত্তার বিঘ্ন ঘটাতে পারে এমন সব ব্যবস্থা গ্রহণ করে। আইনটির ৮(২) ধারায় বলা হয়েছে, সরকার কাউকে অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করলে তার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের দায়িত্ব এসএসএফের ওপর বর্তায়।
এই আইন বলে এসএসএফ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার করতে পারে এবং পরিস্থিতি গুরুতর হলে প্রাণঘাতী ব্যবস্থা গ্রহণের বিধানও রয়েছে।