০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসে স্পট ট্যাক্স না থাকায় কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসে স্পট ট্যাক্স না থাকায় কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:৫২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৫৯

বর্তমানে বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে পাসপোর্ট যাত্রীর যাতায়াত উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে, যার ফলে সরকারের রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ধস নেমেছে। পূর্বে এই পথে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ হাজার যাত্রী যাতায়াত করত এবং সরকার গড়ে ১ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করত। বর্তমানে ভারতের ভিসা নীতি এবং অন্যান্য কারণে যাত্রী যাতায়াত প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।
এছাড়াও, ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রীদের অনেকে বিজনেস ভিসা থাকা সত্ত্বেও বেনাপোল কাস্টমসের হয়রানির কারণে বাংলাদেশে আসা কমিয়ে দিয়েছেন। এর ফলে প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখ টাকার সম্ভাব্য রাজস্ব আয় হারাচ্ছে সরকার।
বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসের বিরুদ্ধে লাগেজ রুলস উপেক্ষা করে পাসপোর্ট যাত্রীদের হয়রানি, স্বজনপ্রীতি এবং অবৈধভাবে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। যাত্রীরা দাবি করছেন যে, লাগেজ অতিরিক্ত পণ্য থাকলে নিয়ম অনুযায়ী ডিএম (ডিউটি মেমো) স্লিপের পরিবর্তে স্পট ট্যাক্স ব্যবস্থা চালু করা হোক। তবে কাস্টমস কর্মকর্তারা নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমতো যাত্রীদের পণ্য আটক করছেন। অনেক সময় ডিএম স্লিপ ছাড়াই পণ্য রেখে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
ভারতীয় ভিসা জটিলতার কারণেও পাসপোর্ট যাত্রীর সংখ্যা কমেছে, যা সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ে প্রভাব ফেলছে।
পণ্য আমদানির নিয়ম:
নিয়ম অনুযায়ী, একজন পাসপোর্ট যাত্রী বছরে একবার একটি মোবাইল ফোন আনতে পারবেন। যদি কোনো যাত্রী বিদেশে ৬ মাসের বেশি সময় থাকেন, তাহলে তিনি শুল্ক ছাড়া দুটি মোবাইল ফোন আনতে পারবেন। এছাড়া, একজন যাত্রী বছরে ১০০ গ্রাম সোনা এবং ২০০ গ্রাম রুপা আনতে পারবেন। এর পাশাপাশি, একটি ল্যাপটপ এবং ২৯ ইঞ্চি পর্যন্ত একটি টেলিভিশন আনতে পারবেন।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন:

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসে স্পট ট্যাক্স না থাকায় কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসে স্পট ট্যাক্স না থাকায় কোটি কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

আপডেট: ০৪:৫২:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বর্তমানে বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে পাসপোর্ট যাত্রীর যাতায়াত উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে, যার ফলে সরকারের রাজস্ব আদায়ে বড় ধরনের ধস নেমেছে। পূর্বে এই পথে প্রতিদিন ১০ থেকে ১২ হাজার যাত্রী যাতায়াত করত এবং সরকার গড়ে ১ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করত। বর্তমানে ভারতের ভিসা নীতি এবং অন্যান্য কারণে যাত্রী যাতায়াত প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।
এছাড়াও, ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রীদের অনেকে বিজনেস ভিসা থাকা সত্ত্বেও বেনাপোল কাস্টমসের হয়রানির কারণে বাংলাদেশে আসা কমিয়ে দিয়েছেন। এর ফলে প্রতিদিন প্রায় ২০ লাখ টাকার সম্ভাব্য রাজস্ব আয় হারাচ্ছে সরকার।
বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমসের বিরুদ্ধে লাগেজ রুলস উপেক্ষা করে পাসপোর্ট যাত্রীদের হয়রানি, স্বজনপ্রীতি এবং অবৈধভাবে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। যাত্রীরা দাবি করছেন যে, লাগেজ অতিরিক্ত পণ্য থাকলে নিয়ম অনুযায়ী ডিএম (ডিউটি মেমো) স্লিপের পরিবর্তে স্পট ট্যাক্স ব্যবস্থা চালু করা হোক। তবে কাস্টমস কর্মকর্তারা নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমতো যাত্রীদের পণ্য আটক করছেন। অনেক সময় ডিএম স্লিপ ছাড়াই পণ্য রেখে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন যাত্রীরা।
ভারতীয় ভিসা জটিলতার কারণেও পাসপোর্ট যাত্রীর সংখ্যা কমেছে, যা সরকারের কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ে প্রভাব ফেলছে।
পণ্য আমদানির নিয়ম:
নিয়ম অনুযায়ী, একজন পাসপোর্ট যাত্রী বছরে একবার একটি মোবাইল ফোন আনতে পারবেন। যদি কোনো যাত্রী বিদেশে ৬ মাসের বেশি সময় থাকেন, তাহলে তিনি শুল্ক ছাড়া দুটি মোবাইল ফোন আনতে পারবেন। এছাড়া, একজন যাত্রী বছরে ১০০ গ্রাম সোনা এবং ২০০ গ্রাম রুপা আনতে পারবেন। এর পাশাপাশি, একটি ল্যাপটপ এবং ২৯ ইঞ্চি পর্যন্ত একটি টেলিভিশন আনতে পারবেন।