০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

বাকশালীদের পুনর্বাসন চলবে না’: জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে ইসিতে জুলাই ঐক্যের বিক্ষোভ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫১১

ঢাকা: জাতীয় পার্টি, ১৪ দল এবং এনডিএফ প্রার্থীদের আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ বাতিলের দাবিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্র-জনতার সংগঠন ‘জুলাই ঐক্য’। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবন এলাকায় এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।
পূর্বঘোষিত ‘মার্চ টু ইলেকশন কমিশন’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে জুলাই ঐক্যের নেতাকর্মীরা নির্বাচন ভবনের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। তবে বিক্ষোভকারীরা ভবনের মূল ফটকের কাছাকাছি পৌঁছালে পুলিশ তাদের আটকে দেয়। পুলিশের বাধার মুখে নেতাকর্মীরা সেখানেই বসে পড়েন এবং অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। এসময় তারা ফ্যাসিবাদ বিরোধী এবং জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন:
* প্রার্থিতা বাতিল: “যাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও যারা ফ্যাসিবাদের সহযোগী, তাদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনো অধিকার নেই। জাতীয় পার্টি, ১৪ দল ও এনডিএফ-এর প্রার্থীদের মনোনয়ন অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।”
* বিচারের দাবি: “ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে যারা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করছে, তাদের প্রত্যেককে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।”
* পুনর্বাসনের চেষ্টা: “জাতীয় পার্টির মতো বাকশালীদের বাংলাদেশে আর কোনো রাজনৈতিক সুযোগ দেওয়া হবে না। যারা তাদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করছেন, তারা সাবধান হোন। শেখ হাসিনার পরিণতি থেকে শিক্ষা নিন।”
ছাত্র-জনতার হুঁশিয়ারি
বক্তব্য প্রদানকালে মোসাদ্দেক আলী আরও সতর্ক করে বলেন, “যদি কেউ খুনি হাসিনার পথ অনুসরণ করতে চান, তবে ছাত্র-জনতা আপনাদের একইভাবে বিদায় করতে সক্ষম। কোনোভাবেই ফ্যাসিবাদের সহযোগীদের ভোটের মাঠে নামতে দেওয়া হবে না।”

জুলাই ঐক্যের এই ঝটিকা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নির্বাচন ভবন ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে বিপুল সংখ্যক অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিল। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়।
বিক্ষোভকারীরা তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন।

সর্বাধিক পঠিত

নড়াইলে যৌথ বাহিনীর অভিযানে : পিস্তল ও ৮০০ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার ৪

বাকশালীদের পুনর্বাসন চলবে না’: জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের প্রার্থিতা বাতিলের দাবিতে ইসিতে জুলাই ঐক্যের বিক্ষোভ

আপডেট: ০৩:১৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা: জাতীয় পার্টি, ১৪ দল এবং এনডিএফ প্রার্থীদের আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ বাতিলের দাবিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্র-জনতার সংগঠন ‘জুলাই ঐক্য’। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবন এলাকায় এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।
পূর্বঘোষিত ‘মার্চ টু ইলেকশন কমিশন’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে জুলাই ঐক্যের নেতাকর্মীরা নির্বাচন ভবনের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। তবে বিক্ষোভকারীরা ভবনের মূল ফটকের কাছাকাছি পৌঁছালে পুলিশ তাদের আটকে দেয়। পুলিশের বাধার মুখে নেতাকর্মীরা সেখানেই বসে পড়েন এবং অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। এসময় তারা ফ্যাসিবাদ বিরোধী এবং জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে জুলাই ঐক্যের অন্যতম সংগঠক মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন:
* প্রার্থিতা বাতিল: “যাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও যারা ফ্যাসিবাদের সহযোগী, তাদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনো অধিকার নেই। জাতীয় পার্টি, ১৪ দল ও এনডিএফ-এর প্রার্থীদের মনোনয়ন অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।”
* বিচারের দাবি: “ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে যারা স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করছে, তাদের প্রত্যেককে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।”
* পুনর্বাসনের চেষ্টা: “জাতীয় পার্টির মতো বাকশালীদের বাংলাদেশে আর কোনো রাজনৈতিক সুযোগ দেওয়া হবে না। যারা তাদের পুনর্বাসনের চেষ্টা করছেন, তারা সাবধান হোন। শেখ হাসিনার পরিণতি থেকে শিক্ষা নিন।”
ছাত্র-জনতার হুঁশিয়ারি
বক্তব্য প্রদানকালে মোসাদ্দেক আলী আরও সতর্ক করে বলেন, “যদি কেউ খুনি হাসিনার পথ অনুসরণ করতে চান, তবে ছাত্র-জনতা আপনাদের একইভাবে বিদায় করতে সক্ষম। কোনোভাবেই ফ্যাসিবাদের সহযোগীদের ভোটের মাঠে নামতে দেওয়া হবে না।”

জুলাই ঐক্যের এই ঝটিকা কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে নির্বাচন ভবন ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সেখানে বিপুল সংখ্যক অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিল। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়।
বিক্ষোভকারীরা তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে কর্মসূচি শেষ করেন।