০৮:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

খুলনা শিপইয়ার্ডে নৌবাহিনীর এলসিটি-১০১ জাহাজের লঞ্চিং সম্পন্ন

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:০১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫১২

নিজস্ব প্রতিবেদক,| নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও ত্রিমাত্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডে নির্মিত ‘ল্যান্ডিং ক্রাফট ট্যাংক’ (এলসিটি-১০১) জাহাজের লঞ্চিং অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই নবনির্মিত জাহাজের শুভ উদ্বোধন করেন।

নৌবাহিনীর নিজস্ব তত্ত্বাবধানে এবং কানাডার ভার্ড মেরিন ডিজাইনের প্রযুক্তিগত সহায়তায় মোট তিনটি এলসিটি নির্মাণের প্রকল্প হাতে নিয়েছে খুলনা শিপইয়ার্ড। যার মধ্যে প্রথমটির লঞ্চিং আজ সম্পন্ন হলো।
* পরিবহন সক্ষমতা: প্রতিটি এলসিটি একসাথে ৬টি ট্যাংক অথবা ১২টি এপিসি (আর্মার্ড পার্সোনাল ক্যারিয়ার) কিংবা ১৮টি সামরিক যানবাহন বহনে সক্ষম।
* ব্যবহার: উপকূলীয় অঞ্চলে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সমন্বিত অপারেশনে ভারী সরঞ্জাম পরিবহনের পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মানবিক সহায়তা ও উদ্ধার অভিযানে এই জাহাজগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত খুলনা শিপইয়ার্ড ১৯৯৯ সালে নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের পর থেকে আমূল বদলে গেছে। বর্তমানে এটি একটি আন্তর্জাতিক মানের লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
* মান নিয়ন্ত্রণ: আন্তর্জাতিক ক্লাসিফিকেশন সোসাইটি (BV, DNV-GL, LR ইত্যাদি) এর তত্ত্বাবধানে এই জাহাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা হয়েছে।
* আর্থিক সক্ষমতা: বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক টার্নওভার প্রায় ৭০০ কোটি টাকা এবং আট শতাধিক জলযান নির্মাণের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।
* গ্রীন ফ্যাক্টরি স্বীকৃতি: পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে ‘গ্রীন ফ্যাক্টরি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ অর্জন করেছে।
লঞ্চিং অনুষ্ঠানে নৌবাহিনীর উচ্চপদস্থ সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই ল্যান্ডিং ক্রাফট ট্যাংকগুলো যুক্ত হওয়ার ফলে নৌবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প ও প্রযুক্তিতে নতুন এক দিগন্তের সূচনা হবে।
আপনার জন্য পরবর্তী সেবা:

সর্বাধিক পঠিত

নড়াইলে যৌথ বাহিনীর অভিযানে : পিস্তল ও ৮০০ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার ৪

খুলনা শিপইয়ার্ডে নৌবাহিনীর এলসিটি-১০১ জাহাজের লঞ্চিং সম্পন্ন

আপডেট: ০৭:০১:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,| নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও ত্রিমাত্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডে নির্মিত ‘ল্যান্ডিং ক্রাফট ট্যাংক’ (এলসিটি-১০১) জাহাজের লঞ্চিং অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই নবনির্মিত জাহাজের শুভ উদ্বোধন করেন।

নৌবাহিনীর নিজস্ব তত্ত্বাবধানে এবং কানাডার ভার্ড মেরিন ডিজাইনের প্রযুক্তিগত সহায়তায় মোট তিনটি এলসিটি নির্মাণের প্রকল্প হাতে নিয়েছে খুলনা শিপইয়ার্ড। যার মধ্যে প্রথমটির লঞ্চিং আজ সম্পন্ন হলো।
* পরিবহন সক্ষমতা: প্রতিটি এলসিটি একসাথে ৬টি ট্যাংক অথবা ১২টি এপিসি (আর্মার্ড পার্সোনাল ক্যারিয়ার) কিংবা ১৮টি সামরিক যানবাহন বহনে সক্ষম।
* ব্যবহার: উপকূলীয় অঞ্চলে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সমন্বিত অপারেশনে ভারী সরঞ্জাম পরিবহনের পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মানবিক সহায়তা ও উদ্ধার অভিযানে এই জাহাজগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত খুলনা শিপইয়ার্ড ১৯৯৯ সালে নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তরের পর থেকে আমূল বদলে গেছে। বর্তমানে এটি একটি আন্তর্জাতিক মানের লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।
* মান নিয়ন্ত্রণ: আন্তর্জাতিক ক্লাসিফিকেশন সোসাইটি (BV, DNV-GL, LR ইত্যাদি) এর তত্ত্বাবধানে এই জাহাজের গুণগত মান নিশ্চিত করা হয়েছে।
* আর্থিক সক্ষমতা: বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক টার্নওভার প্রায় ৭০০ কোটি টাকা এবং আট শতাধিক জলযান নির্মাণের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে।
* গ্রীন ফ্যাক্টরি স্বীকৃতি: পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি সরকারের পক্ষ থেকে ‘গ্রীন ফ্যাক্টরি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ অর্জন করেছে।
লঞ্চিং অনুষ্ঠানে নৌবাহিনীর উচ্চপদস্থ সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এই ল্যান্ডিং ক্রাফট ট্যাংকগুলো যুক্ত হওয়ার ফলে নৌবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্প ও প্রযুক্তিতে নতুন এক দিগন্তের সূচনা হবে।
আপনার জন্য পরবর্তী সেবা: