জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করে ‘হত্যাযজ্ঞ’ চালানোর অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সজীব ওয়াজেদ জয় ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আগামী ২১ জানুয়ারি আদেশের দিন ধার্য করেছেন
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ট্রাইব্যুনাল এই আদেশের’
শুনানিতে প্রসিকিউশন পক্ষ ট্রাইব্যুনালকে জানায়, তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সরাসরি নির্দেশে দেশে ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ রাখা হয়েছিল। প্রসিকিউশনের অভিযোগ, বিদেশে অবস্থান করে এসব কর্মকাণ্ডের মূল ‘নীলনকশা’ প্রণয়ন করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। আর সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে তৎকালীন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
আসামিপক্ষের যুক্তি ও অব্যাহতির আবেদন
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা শুনানিতে এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন।
* সজীব ওয়াজেদ জয়ের আইনজীবী দাবি করেন, তার মক্কেলের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন কোনো তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। তিনি জয়ের মামলার দায় থেকে অব্যাহতির আবেদন জানান।
* জুনাইদ আহমেদ পলকের আইনজীবী দাবি করেন, পলক ব্যক্তিগতভাবে ইন্টারনেট বন্ধের কোনো নির্দেশ দেননি। বরং গুজব প্রতিরোধে সাময়িকভাবে ইন্টারনেট গতি সীমিত করা হয়েছিল।
এদিকে, আজ আশুলিয়ায় মরদেহ পোড়ানোর মামলায় দ্বিতীয় দিনের মতো যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। এই সংশ্লিষ্ট দুটি মামলায় মোট নয়জন আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
এছাড়া পৃথক চারটি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম ও সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদীসহ মোট ১৮ জনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। প্রসিকিউশন পক্ষ এসব মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সময় আবেদন করলে ট্রাইব্যুনাল আলাদা সময়সীমা নির্ধারণ করে দেন।




















