০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রাথমিকে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ: পরীক্ষা বাতিলসহ ৪ দফা দাবি এনসিপির

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৪৫:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৬১

গত ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এই ঘটনাকে মেধাবী তরুণদের স্বপ্নের ওপর ‘নির্মম আঘাত’ হিসেবে অভিহিত করে দলটি চার দফা দাবি উত্থাপন করেছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব এবং শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই প্রতিক্রিয়া জানানো হ
বিবৃতিতে অনিয়ম রোধে সরকারের প্রতি চারটি সুনির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়েছে:
১. নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে ওঠা সব অভিযোগের নিরপেক্ষ ও যথাযথ তদন্ত করতে হবে।
২. তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষার ফল প্রকাশ স্থগিত রাখতে হবে।
৩. প্রশ্ন ফাঁসের ন্যূনতম সত্যতা পাওয়া গেলে পুরো পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় আয়োজন করতে হবে।
৪. জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্ন প্রণয়নের দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করতে হবে।
এনসিপি উল্লেখ করেছে যে, এর আগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অফিস সহকারী নিয়োগ পরীক্ষাতেও প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটেছিল। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান হয়েছিল চাকরিতে বৈষম্য ও অনিয়মের বিরুদ্ধে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হওয়া শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি চরম অবমাননা।
দলের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বিভিন্ন দপ্তর সংস্কারের বদলে নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যে বেশি মনোযোগী হচ্ছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক।
জাতীয় নাগরিক পার্টি সতর্ক করে জানিয়েছে, যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পরও মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেয় কিংবা উদাসীনতা দেখায়, তবে দলটি চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে নিয়ে মাঠে নামবে। ন্যায্য দাবি আদায়ে রাজপথে সক্রিয় আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে বিবৃতিতে।

সর্বাধিক পঠিত

‘তেলের দাম ৭০০ টাকা হতো’—ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড নিয়ে যা বললেন যুবদল নেতা নয়ন

প্রাথমিকে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ: পরীক্ষা বাতিলসহ ৪ দফা দাবি এনসিপির

আপডেট: ০৩:৪৫:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

গত ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এই ঘটনাকে মেধাবী তরুণদের স্বপ্নের ওপর ‘নির্মম আঘাত’ হিসেবে অভিহিত করে দলটি চার দফা দাবি উত্থাপন করেছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব এবং শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এই প্রতিক্রিয়া জানানো হ
বিবৃতিতে অনিয়ম রোধে সরকারের প্রতি চারটি সুনির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়েছে:
১. নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে ওঠা সব অভিযোগের নিরপেক্ষ ও যথাযথ তদন্ত করতে হবে।
২. তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষার ফল প্রকাশ স্থগিত রাখতে হবে।
৩. প্রশ্ন ফাঁসের ন্যূনতম সত্যতা পাওয়া গেলে পুরো পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় আয়োজন করতে হবে।
৪. জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে প্রশ্ন প্রণয়নের দায়িত্ব থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করতে হবে।
এনসিপি উল্লেখ করেছে যে, এর আগে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অফিস সহকারী নিয়োগ পরীক্ষাতেও প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ঘটেছিল। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান হয়েছিল চাকরিতে বৈষম্য ও অনিয়মের বিরুদ্ধে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হওয়া শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি চরম অবমাননা।
দলের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বিভিন্ন দপ্তর সংস্কারের বদলে নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যে বেশি মনোযোগী হচ্ছে, যা অত্যন্ত লজ্জাজনক।
জাতীয় নাগরিক পার্টি সতর্ক করে জানিয়েছে, যদি অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পরও মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর কোনো কার্যকর পদক্ষেপ না নেয় কিংবা উদাসীনতা দেখায়, তবে দলটি চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে নিয়ে মাঠে নামবে। ন্যায্য দাবি আদায়ে রাজপথে সক্রিয় আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে বিবৃতিতে।