০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫

দুর্বল প্রার্থীর মনোনয়নে হতাশাগ্রস্ত যশোর-২ বিএনপি তৃণমূল নেতাকর্মী

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:১৭:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৩২

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ‘অসহনীয় শোকের ছায়া’ নেমে এসেছে। সাবিরা নাজমুল মুন্নিকে প্রার্থী করায় ভোটের কোনো আমেজ নেই, বরং হতাশায় নিমজ্জিত তারা। অন্যদিকে, শক্তিশালী প্রার্থী দেওয়ায় উল্লাসিত জামায়াতে ইসলামী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, জামায়াতের ঘাঁটিখ্যাত এই আসনে ঘোষিত প্রার্থীকে নিয়ে লড়াই করা দুষ্কর হয়ে পড়বে। কারণ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ডাঃ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ দলীয় প্রভাবের বাইরে পারিবারিক ও সামাজিক নানা সমীকরণে এগিয়ে রয়েছেন। তৃণমূলের দাবি, জামায়াতকে পরাজিত করতে হলে বিএনপির প্রার্থী পরিবর্তন ছাড়া কোনো পথ খোলা নেই।
হেভিওয়েট জামায়াত প্রার্থীর সমীকরণ
যশোরের ভারত সীমান্তবর্তী ঝিকরগাছা ও চৌগাছা নিয়ে গঠিত এই আসনে মূলত বিএনপি প্রার্থীর সাথে জামায়াত প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবিরা নাজমুল মুন্নী মনোনয়ন পেলেও তার বিপরীতে জামায়াতের প্রার্থী ডাঃ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদকে ‘হেভিওয়েট’ বিবেচনা করা হচ্ছে। ফরিদ ছাত্র জীবনে ইসলামী ছাত্র শিবিরের ঢাকা মেডিকেল কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি ছিলেন। তিনি বিখ্যাত খড়কী পীর বাড়ির সন্তান এবং দেশের স্বনামধন্য আদ্ব-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডাঃ শেখ মহিউদ্দিনের শ্যালক। ঝিকরগাছা-চৌগাছা জুড়ে এই প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক প্রভাব থাকায় নানা সমীকরণে ফরিদ শক্ত প্রার্থী হিসেবে উঠে এসেছেন।
তাঁর বিপরীতে নারী প্রার্থীর মনোনয়নে বিএনপি নেতাকর্মীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
দ্রুত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি
স্থানীয় কর্মী ও সমর্থকরা বলছেন, মনোনয়ন প্রত্যাশী মিজানুর রহমান খান, জহুরুল ইসলাম ও ইমরান সামাদ নিপুনের চেয়ে অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে থাকা সাবিরা সুলতানাকে সহানুভূতি দেখিয়ে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ফলে তাকে নিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া কঠিন হবে। এ কারণে দ্রুত প্রার্থী পরিবর্তন করে নতুন একজন পুরুষ প্রার্থী ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন তারা।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

দুর্বল প্রার্থীর মনোনয়নে হতাশাগ্রস্ত যশোর-২ বিএনপি তৃণমূল নেতাকর্মী

আপডেট: ০৬:১৭:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনে বিএনপির মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকেই তৃণমূলের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ‘অসহনীয় শোকের ছায়া’ নেমে এসেছে। সাবিরা নাজমুল মুন্নিকে প্রার্থী করায় ভোটের কোনো আমেজ নেই, বরং হতাশায় নিমজ্জিত তারা। অন্যদিকে, শক্তিশালী প্রার্থী দেওয়ায় উল্লাসিত জামায়াতে ইসলামী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, জামায়াতের ঘাঁটিখ্যাত এই আসনে ঘোষিত প্রার্থীকে নিয়ে লড়াই করা দুষ্কর হয়ে পড়বে। কারণ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ডাঃ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ দলীয় প্রভাবের বাইরে পারিবারিক ও সামাজিক নানা সমীকরণে এগিয়ে রয়েছেন। তৃণমূলের দাবি, জামায়াতকে পরাজিত করতে হলে বিএনপির প্রার্থী পরিবর্তন ছাড়া কোনো পথ খোলা নেই।
হেভিওয়েট জামায়াত প্রার্থীর সমীকরণ
যশোরের ভারত সীমান্তবর্তী ঝিকরগাছা ও চৌগাছা নিয়ে গঠিত এই আসনে মূলত বিএনপি প্রার্থীর সাথে জামায়াত প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবিরা নাজমুল মুন্নী মনোনয়ন পেলেও তার বিপরীতে জামায়াতের প্রার্থী ডাঃ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদকে ‘হেভিওয়েট’ বিবেচনা করা হচ্ছে। ফরিদ ছাত্র জীবনে ইসলামী ছাত্র শিবিরের ঢাকা মেডিকেল কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি ছিলেন। তিনি বিখ্যাত খড়কী পীর বাড়ির সন্তান এবং দেশের স্বনামধন্য আদ্ব-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডাঃ শেখ মহিউদ্দিনের শ্যালক। ঝিকরগাছা-চৌগাছা জুড়ে এই প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক প্রভাব থাকায় নানা সমীকরণে ফরিদ শক্ত প্রার্থী হিসেবে উঠে এসেছেন।
তাঁর বিপরীতে নারী প্রার্থীর মনোনয়নে বিএনপি নেতাকর্মীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
দ্রুত প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি
স্থানীয় কর্মী ও সমর্থকরা বলছেন, মনোনয়ন প্রত্যাশী মিজানুর রহমান খান, জহুরুল ইসলাম ও ইমরান সামাদ নিপুনের চেয়ে অপেক্ষাকৃত পিছিয়ে থাকা সাবিরা সুলতানাকে সহানুভূতি দেখিয়ে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ফলে তাকে নিয়ে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া কঠিন হবে। এ কারণে দ্রুত প্রার্থী পরিবর্তন করে নতুন একজন পুরুষ প্রার্থী ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন তারা।