যশোর পৌরসভা ৬ নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আল মাসুদ রানা-কে ব্যবসায়ী মীর শামির সাকিব সাদি হত্যা মামলায় শ্যোন অ্যারেস্টের (আদালতের মাধ্যমে আটক দেখানোর আবেদন) আবেদন জানানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) শহরের চাঁচড়া রায়পাড়া এলাকা থেকে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়ে মাসুদ আল রানাকে আটক করে। তার বাড়ি থেকে ককটেল, পেট্রোল বোমা ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (অপারেশনস) মোমিনুল হক আদালতে এই শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন জানান।
হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ
তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক মোমিনুল হক জানান, সাদি হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ট্যাটু সুমনের জবানবন্দিতে যুবদল নেতা মাসুদ আল রানার নাম উঠে আসে।
তদন্ত কর্মকর্তা মোমিনুল হক: “সুমনের জবানবন্দিতে জানা যায়, ব্যবসায়িক বিরোধের জের ধরে যুবদল নেতা মাসুদ আল রানা সাদিকে হত্যা করার জন্য সন্ত্রাসী তুহিনকে ২০ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। রানা তার মুজিব সড়কের দোকানে বসেই টাকা হস্তান্তর করেন।”
টাকা পাওয়ার পর তুহিন, ট্যাটু সুমন, মেহেদী হাসান অনিকসহ কয়েকজন মিলে সাদির বাড়িতে ঢুকে তাকে গুলি করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে বলে জানা যায়।
মামলার অগ্রগতি
* সাদি হত্যার পর তার মা বাদী হয়ে ট্যাটু সুমন ও মেহেদী অনিকসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে মামলা করেন।
* পরে সুমন ও অনিক আত্মসমর্পণ করলে তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে পুলিশ।
* সুমন জবানবন্দিতে আরও জানায়, সাদি ও রানার মধ্যে ব্যবসায়িক বিরোধ ছিল, এবং সেই বিরোধ থেকেই রানা হত্যার পরিকল্পনা করেন।
পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ
পুলিশ জানিয়েছে, মাসুদ আল রানার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়েছে। পাশাপাশি, তাকে সাদি হত্যা মামলায়ও শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানোর আবেদন জানানো হয়েছে। পুলিশ আশা করছে, রানাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সাদি হত্যার মূল রহস্য সম্পূর্ণভাবে উদঘাটন হবে।



















