১১:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
আদালত কর্তৃক জব্দকৃত সম্পদ গোপনে বিক্রি করছেন রণজিত কুমার রায়

আদালত কর্তৃক জব্দকৃত সম্পদ গোপনে বিক্রি করছেন রণজিত কুমার রায়

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:২৩:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৫৭

যশোর-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রণজিত কুমার রায় এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক জব্দকৃত সম্পদ গোপনে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি তার পলাতক ছেলে রাজীব কুমার রায় ৫০ লাখ টাকায় তিনটি ট্রাক বিক্রি করেছেন বলে জানা গেছে। আহাদ পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিসের মালিক আহাদ আলী এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, ঢাকার একটি আদালত রণজিত রায়, তার স্ত্রী নিয়তি রানী এবং দুই ছেলে রাজীব ও সজীব কুমারের নামে থাকা সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছিল। জব্দকৃত সম্পদের মধ্যে রয়েছে চারটি ফ্ল্যাট, দুটি বাড়ি, ৭৯ দশমিক ৬২ বিঘা জমি, ৬০টি দোকান, তিনটি ট্রাক, বিভিন্ন ব্যাংকে প্রায় ২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা এবং সাড়ে ছয় শতাধিক ভরি স্বর্ণালংকার। অভিযোগ উঠেছে, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এসব সম্পদ গোপনে বিক্রি করা হচ্ছে বা ব্যাংক হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলন করা হচ্ছে।
স্থানীয় আইনজীবীরা এই ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে সম্পত্তি হাতবদল হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। জানা গেছে, রণজিত রায় ও তার পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন।

সর্বাধিক পঠিত

৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ভোট, পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় রেকর্ড ৯০ শতাংশের বেশি ভোটগ্রহণ

আদালত কর্তৃক জব্দকৃত সম্পদ গোপনে বিক্রি করছেন রণজিত কুমার রায়

আদালত কর্তৃক জব্দকৃত সম্পদ গোপনে বিক্রি করছেন রণজিত কুমার রায়

আপডেট: ১০:২৩:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

যশোর-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাঘারপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রণজিত কুমার রায় এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে আদালত কর্তৃক জব্দকৃত সম্পদ গোপনে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি তার পলাতক ছেলে রাজীব কুমার রায় ৫০ লাখ টাকায় তিনটি ট্রাক বিক্রি করেছেন বলে জানা গেছে। আহাদ পার্সেল অ্যান্ড কুরিয়ার সার্ভিসের মালিক আহাদ আলী এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, ঢাকার একটি আদালত রণজিত রায়, তার স্ত্রী নিয়তি রানী এবং দুই ছেলে রাজীব ও সজীব কুমারের নামে থাকা সম্পদ জব্দের আদেশ দিয়েছিল। জব্দকৃত সম্পদের মধ্যে রয়েছে চারটি ফ্ল্যাট, দুটি বাড়ি, ৭৯ দশমিক ৬২ বিঘা জমি, ৬০টি দোকান, তিনটি ট্রাক, বিভিন্ন ব্যাংকে প্রায় ২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা এবং সাড়ে ছয় শতাধিক ভরি স্বর্ণালংকার। অভিযোগ উঠেছে, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও এসব সম্পদ গোপনে বিক্রি করা হচ্ছে বা ব্যাংক হিসাব থেকে অর্থ উত্তোলন করা হচ্ছে।
স্থানীয় আইনজীবীরা এই ঘটনায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন এবং আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও কীভাবে সম্পত্তি হাতবদল হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। জানা গেছে, রণজিত রায় ও তার পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন।