১২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
যশোর বিমানবন্দরে মালামাল নিলামে অনিয়মের অভিযোগ, দুদকের অভিযান

যশোর বিমানবন্দরে মালামাল নিলামে অনিয়মের অভিযোগ, দুদকের অভিযান

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:২১:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৭০

যশোর বিমানবন্দরে মালামাল নিলামে বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় সোমবার (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪) দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সেখানে অভিযান চালিয়েছে। দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় যশোরের উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের কাছে অভিযোগ ছিল, বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোন রোড থেকে সংগ্রহ করা অকেজো ইট ও পাথরসহ অন্যান্য মালামাল নিলামে বিক্রির সময় অনিয়ম করা হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা অর্থাৎ প্রথম স্থান অর্জনকারী ঠিকাদারের কাছে মালামাল বিক্রি না করে চতুর্থ দরদাতার কাছে তা বিক্রি করা হয়। যেখানে প্রথম দরদাতা ১২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দিতে চেয়েছিল, সেখানে চতুর্থ দরদাতার দেওয়া দর ছিল মাত্র ১০ লাখ টাকা।
দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক চিরঞ্জীব নিয়োগী এবং কৃষ্ণ পদ বিশ্বাস এই অভিযানে অংশ নেন।
অভিযানের পর উপ-সহকারী পরিচালক চিরঞ্জীব নিয়োগী জানান, যশোর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দরদাতার কাগজপত্রে ত্রুটি থাকায় চতুর্থ দরদাতার কাছে মালামাল বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে তারা তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হওয়া দরদাতাদের কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। প্রাথমিক তদন্তে দুদকের কাছে অনিয়মের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তিনি আরও জানান, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দরদাতার কাগজপত্র হাতে পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

সর্বাধিক পঠিত

বিজিবি ও স্থানীয়দের প্রতিবাদে পঞ্চগড় সীমান্ত থেকে ১০ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ

যশোর বিমানবন্দরে মালামাল নিলামে অনিয়মের অভিযোগ, দুদকের অভিযান

যশোর বিমানবন্দরে মালামাল নিলামে অনিয়মের অভিযোগ, দুদকের অভিযান

আপডেট: ১০:২১:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

যশোর বিমানবন্দরে মালামাল নিলামে বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় সোমবার (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪) দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সেখানে অভিযান চালিয়েছে। দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয় যশোরের উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের কাছে অভিযোগ ছিল, বিমানবন্দরের অ্যাপ্রোন রোড থেকে সংগ্রহ করা অকেজো ইট ও পাথরসহ অন্যান্য মালামাল নিলামে বিক্রির সময় অনিয়ম করা হয়েছে। গত ৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত নিলামে সর্বোচ্চ দরদাতা অর্থাৎ প্রথম স্থান অর্জনকারী ঠিকাদারের কাছে মালামাল বিক্রি না করে চতুর্থ দরদাতার কাছে তা বিক্রি করা হয়। যেখানে প্রথম দরদাতা ১২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দিতে চেয়েছিল, সেখানে চতুর্থ দরদাতার দেওয়া দর ছিল মাত্র ১০ লাখ টাকা।
দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক চিরঞ্জীব নিয়োগী এবং কৃষ্ণ পদ বিশ্বাস এই অভিযানে অংশ নেন।
অভিযানের পর উপ-সহকারী পরিচালক চিরঞ্জীব নিয়োগী জানান, যশোর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দরদাতার কাগজপত্রে ত্রুটি থাকায় চতুর্থ দরদাতার কাছে মালামাল বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তবে তারা তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হওয়া দরদাতাদের কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। প্রাথমিক তদন্তে দুদকের কাছে অনিয়মের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তিনি আরও জানান, প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় দরদাতার কাগজপত্র হাতে পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।