১২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
অনলাইন জুয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগে যবিপ্রবি শিক্ষার্থী আটক

অনলাইন জুয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগে যবিপ্রবি শিক্ষার্থী আটক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:১৭:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৫৭২

অনলাইন জুয়া পরিচালনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থী আশিকুল হক অন্তুকে আটক করেছে ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি অনলাইন জুয়ার এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন।
রোববার রাতে সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি বাজার থেকে অন্তুকে আটক করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আটককৃত অন্তু ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার আমতলী গ্রামের এনামুল হকের ছেলে এবং যবিপ্রবির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
যেভাবে আটক করা হয়
ডিবি পুলিশের ওসি মঞ্জুরুল হক ভুঁইয়া জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে চুড়ামনকাটি বাজারে অভিযান চালিয়ে অন্তুকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে আরও ৩-৪ জন অনলাইন জুয়ায় লিপ্ত ছিলেন, যারা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান। অন্তুর কাছ থেকে একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। মোবাইলটির লেনদেন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে জুয়ার সঙ্গে জড়িত। ওসি আরও জানান, অন্তু একজন অবৈধ এজেন্ট হিসেবে জুয়া পরিচালনা করতেন এবং ‘আরমান খান’ নামের ফেসবুক আইডি থেকে জুয়ার বিজ্ঞাপন দিতেন।
মামলা ও জামিন
আটকের পর ডিবি পুলিশের এএসআই আজহারুল ইসলাম বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অন্তুসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শিবু মণ্ডল জানান, পালিয়ে যাওয়া অন্যদেরও নাম-ঠিকানা শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত পরিচয়
যবিপ্রবি সূত্র জানায়, আশিকুল হক অন্তু ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং যবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সোহেল রানার অনুসারী। মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এর আগে তাকে শহিদ মশিউর রহমান হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
আদালতে আনা হলে মারুফ হোসেন সুকর্ণ নামে যবিপ্রবির এক সাবেক শিক্ষার্থী অন্তুর পক্ষে সাফাই গেয়ে সংবাদপত্রে খবর প্রকাশ না করার জন্য তদবির করেন এবং পুলিশ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন।

সর্বাধিক পঠিত

বিজিবি ও স্থানীয়দের প্রতিবাদে পঞ্চগড় সীমান্ত থেকে ১০ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ

অনলাইন জুয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগে যবিপ্রবি শিক্ষার্থী আটক

অনলাইন জুয়ায় জড়িত থাকার অভিযোগে যবিপ্রবি শিক্ষার্থী আটক

আপডেট: ১০:১৭:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অনলাইন জুয়া পরিচালনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থী আশিকুল হক অন্তুকে আটক করেছে ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি অনলাইন জুয়ার এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন।
রোববার রাতে সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি বাজার থেকে অন্তুকে আটক করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে সোমবার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আটককৃত অন্তু ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার আমতলী গ্রামের এনামুল হকের ছেলে এবং যবিপ্রবির কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
যেভাবে আটক করা হয়
ডিবি পুলিশের ওসি মঞ্জুরুল হক ভুঁইয়া জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে চুড়ামনকাটি বাজারে অভিযান চালিয়ে অন্তুকে আটক করা হয়। এ সময় তার সঙ্গে আরও ৩-৪ জন অনলাইন জুয়ায় লিপ্ত ছিলেন, যারা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান। অন্তুর কাছ থেকে একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। মোবাইলটির লেনদেন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে জুয়ার সঙ্গে জড়িত। ওসি আরও জানান, অন্তু একজন অবৈধ এজেন্ট হিসেবে জুয়া পরিচালনা করতেন এবং ‘আরমান খান’ নামের ফেসবুক আইডি থেকে জুয়ার বিজ্ঞাপন দিতেন।
মামলা ও জামিন
আটকের পর ডিবি পুলিশের এএসআই আজহারুল ইসলাম বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় অন্তুসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩-৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সোমবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শিবু মণ্ডল জানান, পালিয়ে যাওয়া অন্যদেরও নাম-ঠিকানা শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত পরিচয়
যবিপ্রবি সূত্র জানায়, আশিকুল হক অন্তু ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং যবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সোহেল রানার অনুসারী। মাদকের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এর আগে তাকে শহিদ মশিউর রহমান হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
আদালতে আনা হলে মারুফ হোসেন সুকর্ণ নামে যবিপ্রবির এক সাবেক শিক্ষার্থী অন্তুর পক্ষে সাফাই গেয়ে সংবাদপত্রে খবর প্রকাশ না করার জন্য তদবির করেন এবং পুলিশ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন।