১১:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে কাদের দম্পতিকে বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:৪৩:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৬১৫

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এবং তার স্ত্রী শেরীফা কাদেরকে বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।

ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ইব্রাহিম মিয়া বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুদকের আবেদন অনুমোদন করে এ আদেশ দেন।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন, অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে কাদের দম্পতির বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, কাদের দম্পতি এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বৈধ আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং বিদেশে তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। গোপন সূত্রে জানা গেছে, কাদের দম্পতি বিদেশে পলায়ন করলে তারা তাদের সম্পদ হস্তান্তর করতে পারেন, যা অনুসন্ধান কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে পারে। তাই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা জরুরি।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে ‘বিতর্কিত’ রসুল আটক, নাশকতা মামলায় কারাগারে প্রেরণ

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে কাদের দম্পতিকে বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা

আপডেট: ০২:৪৩:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এবং তার স্ত্রী শেরীফা কাদেরকে বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।

ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ইব্রাহিম মিয়া বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুদকের আবেদন অনুমোদন করে এ আদেশ দেন।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন, অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে কাদের দম্পতির বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, কাদের দম্পতি এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বৈধ আয়ের বাইরে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং বিদেশে তাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। গোপন সূত্রে জানা গেছে, কাদের দম্পতি বিদেশে পলায়ন করলে তারা তাদের সম্পদ হস্তান্তর করতে পারেন, যা অনুসন্ধান কার্যক্রমকে ব্যাহত করতে পারে। তাই অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা জরুরি।