১১:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

মণিরামপুরে রঝাপার বাওরের ভাইরাল ‘ড্রাম সেতু’ কালবৈশাখীর ঝড়ে বিধ্বস্ত,

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:০০:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১৪

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ এলাকার ঝাপার বাওরে নির্মিত বহুল আলোচিত ও ভাইরাল ‘ড্রাম সেতু’টি আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে হঠাৎ শুরু হওয়া প্রবল ঝড় ও দমকা হাওয়ার তোড়ে সেতুর একটি বড় অংশ ভেঙে বাওরের পানিতে ভেসে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলের দিকে শুরু হওয়া তীব্র ঝড়ে সেতুটির কাঠামো দ্রুত নড়বড়ে হয়ে পড়ে। বাতাসের প্রবল চাপ এবং পানির ঢেউয়ের আঘাতে সেতুর লোহার সিট ও ড্রামের সংযোগস্থলগুলো একে একে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এক পর্যায়ে সেতুর বড় একটি অংশ মূল কাঠামো থেকে আলাদা হয়ে পানিতে ভেসে যেতে দেখেন আশপাশের মানুষ।
লোহার সিট ও পুরনো প্লাস্টিকের ড্রাম দিয়ে নির্মিত এই ব্যতিক্রমধর্মী সেতুটি চালুর পর থেকেই সারা দেশে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শত শত পর্যটক ও দর্শনার্থী সেতুটি দেখতে ভিড় করতেন। স্থানীয়দের যাতায়াত সহজ করার পাশাপাশি এটি একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটি নির্মাণের কয়েক বছরের মধ্যেই এর বিভিন্ন অংশে মরিচা ধরে দুর্বল হয়ে পড়ে। বিশেষ করে লোহার পাইপ ও পাটাতনের কিছু অংশ দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্থায়ী সংস্কারের পরিবর্তে সাময়িক মেরামতের মাধ্যমে সেতুটি চালু রাখায় এর স্থায়িত্ব কমে যায়। ফলে সাম্প্রতিক ঝড়ের মুখে এটি টিকতে পারেনি।

এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে হতাশা বিরাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দ্রুত সেতুটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানানো হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আশা করছেন, প্রশাসন দ্রুত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং গুরুত্বপূর্ণ এই যোগাযোগ ও পর্যটন কেন্দ্রটি পুনরায় চালু করবে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে ‘বিতর্কিত’ রসুল আটক, নাশকতা মামলায় কারাগারে প্রেরণ

মণিরামপুরে রঝাপার বাওরের ভাইরাল ‘ড্রাম সেতু’ কালবৈশাখীর ঝড়ে বিধ্বস্ত,

আপডেট: ০৯:০০:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ এলাকার ঝাপার বাওরে নির্মিত বহুল আলোচিত ও ভাইরাল ‘ড্রাম সেতু’টি আকস্মিক কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে হঠাৎ শুরু হওয়া প্রবল ঝড় ও দমকা হাওয়ার তোড়ে সেতুর একটি বড় অংশ ভেঙে বাওরের পানিতে ভেসে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলের দিকে শুরু হওয়া তীব্র ঝড়ে সেতুটির কাঠামো দ্রুত নড়বড়ে হয়ে পড়ে। বাতাসের প্রবল চাপ এবং পানির ঢেউয়ের আঘাতে সেতুর লোহার সিট ও ড্রামের সংযোগস্থলগুলো একে একে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এক পর্যায়ে সেতুর বড় একটি অংশ মূল কাঠামো থেকে আলাদা হয়ে পানিতে ভেসে যেতে দেখেন আশপাশের মানুষ।
লোহার সিট ও পুরনো প্লাস্টিকের ড্রাম দিয়ে নির্মিত এই ব্যতিক্রমধর্মী সেতুটি চালুর পর থেকেই সারা দেশে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শত শত পর্যটক ও দর্শনার্থী সেতুটি দেখতে ভিড় করতেন। স্থানীয়দের যাতায়াত সহজ করার পাশাপাশি এটি একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটি নির্মাণের কয়েক বছরের মধ্যেই এর বিভিন্ন অংশে মরিচা ধরে দুর্বল হয়ে পড়ে। বিশেষ করে লোহার পাইপ ও পাটাতনের কিছু অংশ দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্থায়ী সংস্কারের পরিবর্তে সাময়িক মেরামতের মাধ্যমে সেতুটি চালু রাখায় এর স্থায়িত্ব কমে যায়। ফলে সাম্প্রতিক ঝড়ের মুখে এটি টিকতে পারেনি।

এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে হতাশা বিরাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দ্রুত সেতুটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানানো হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আশা করছেন, প্রশাসন দ্রুত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং গুরুত্বপূর্ণ এই যোগাযোগ ও পর্যটন কেন্দ্রটি পুনরায় চালু করবে।