১২:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬

‘মাইরা তো ফেলছি এখন কী করবা’ বলা ওসি অপূর্ব হাসানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:২১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
  • ৬৮৪

পল্লবী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অপূর্ব হাসান ও তার স্ত্রী ফাতিমা রহমানের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২০ মে) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন।

এদিন তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন দুর্নীতির অভিযোগে চলমান অনুসন্ধানে নিযুক্ত কর্মকর্তা দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।

আবেদনে বলা হয়, অপূর্ব হাসানের বিরুদ্ধে (জুলাই অভ্যুত্থানকালে) ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ, হত্যা, স্বর্ণ চোরাকারবারের সঙ্গে জড়িত থাকা ও ক্ষমতার অপব্যবহারেরর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অপূর্ব হাসান ও তার স্ত্রী ফাতিমা রহমান সপরিবারে দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন মর্মে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়।

অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বর্তমানে পলাতক আছেন। তারা দেশ ত্যাগ করলে অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন রহিতকরণ প্রয়োজন।

শুনানি শেষে বিচারক তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।

গত বছরের জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যাতে দেখা যায় ওসি অপূর্ব হাসান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন। সে সময় তাকে বেশ আক্রমণাত্মক আচরণ করতে দেখা যায়। মিরপুর ১২ নম্বর সেকশন এলাকায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি অন্য শিক্ষার্থীকে হত্যার বিষয়ে বলেন, ‘মাইরা তো আমরা ফেলছি এখন কী করবা?’

এমনকি পুলিশ সদস্যদেরও তিনি ধমক দিয়ে বলেছিলেন, ‘যে গুলি করবে না তাকে আমি গুলি করবো। ’ এরপরই শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায় পুলিশ। হতাহত হয় অনেকেই।

 

সর্বাধিক পঠিত

বিজিবি ও স্থানীয়দের প্রতিবাদে পঞ্চগড় সীমান্ত থেকে ১০ জনকে সরিয়ে নিল বিএসএফ

‘মাইরা তো ফেলছি এখন কী করবা’ বলা ওসি অপূর্ব হাসানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

আপডেট: ১০:২১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

পল্লবী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অপূর্ব হাসান ও তার স্ত্রী ফাতিমা রহমানের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২০ মে) ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব এ আদেশ দেন।

এদিন তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন দুর্নীতির অভিযোগে চলমান অনুসন্ধানে নিযুক্ত কর্মকর্তা দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।

আবেদনে বলা হয়, অপূর্ব হাসানের বিরুদ্ধে (জুলাই অভ্যুত্থানকালে) ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ, হত্যা, স্বর্ণ চোরাকারবারের সঙ্গে জড়িত থাকা ও ক্ষমতার অপব্যবহারেরর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট অপূর্ব হাসান ও তার স্ত্রী ফাতিমা রহমান সপরিবারে দেশ ছেড়ে বিদেশে পলায়ন করতে পারেন মর্মে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়।

অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বর্তমানে পলাতক আছেন। তারা দেশ ত্যাগ করলে অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমন রহিতকরণ প্রয়োজন।

শুনানি শেষে বিচারক তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন।

গত বছরের জুলাইয়ের মাঝামাঝিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যাতে দেখা যায় ওসি অপূর্ব হাসান আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন। সে সময় তাকে বেশ আক্রমণাত্মক আচরণ করতে দেখা যায়। মিরপুর ১২ নম্বর সেকশন এলাকায় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি অন্য শিক্ষার্থীকে হত্যার বিষয়ে বলেন, ‘মাইরা তো আমরা ফেলছি এখন কী করবা?’

এমনকি পুলিশ সদস্যদেরও তিনি ধমক দিয়ে বলেছিলেন, ‘যে গুলি করবে না তাকে আমি গুলি করবো। ’ এরপরই শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায় পুলিশ। হতাহত হয় অনেকেই।