খাগড়াছড়ি জেলায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সেক্রেটারি মো. রুবেলের নেতৃত্বে প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী ছাত্রদলে যোগদান করেছেন।
রোববার (২৩ নভেম্বর, ২০২৫) সন্ধ্যায় খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি ও দলের মনোনীত প্রার্থী ওয়াদুদ ভূঁইয়ার হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে ছাত্রদলে নাম লেখান।
যোগদান অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আরিফ মোহাম্মদ জাহিদ, সাধারণ সম্পাদক সোহেল দেওয়ান ও সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পি দাশ উপস্থিত ছিলেন।
ছাত্রদলে যোগদানকারী ছাত্রশিবিরের সাবেক নেতা মো. রুবেল তার সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, “জামায়াত-শিবিরের কিছু বিষয়ে প্রশ্ন তৈরি হওয়ায় সংগঠন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জীবনের অনেক সময় ভুল পথে ব্যয় করেছি। এখন ধানের শীষের বিজয়ের জন্য কাজ করতে চাই এবং সবাইকে বিএনপির পক্ষে কাজ করারও আহ্বান জানাই।”
উল্লেখ্য, রুবেল ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৪ সালের মে পর্যন্ত খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি পদে ছিলেন।
তবে, যোগদানকারী মো. রুবেলের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রশিবিরের সভাপতি আবদুস সাত্তার।
তিনি বলেন, “সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে গেল বছরের নভেম্বরে মো. রুবেলকে ছাত্রশিবির থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছিল। এখন তিনি কোথায় যোগ দেবেন বা না দেবেন সেটি একান্ত তার নিজস্ব ব্যাপার।”
নবাগত নেতাকর্মীদের স্বাগত জানিয়ে বিএনপি নেতা ওয়াদুদ ভূঁইয়া বলেন, “এর মধ্য দিয়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের শুভ বুদ্ধি উদয় হয়েছে। ছাত্রদল দেশের সবচেয়ে সংগঠিত, নীতি-আদর্শে অটল এবং শিক্ষার্থীবান্ধব সংগঠন। সত্য এবং গণতন্ত্রে বিশ্বাসী যারা, তারা আজ ছাত্রদলের পতাকাতলে জড়ো হচ্ছেন।”
তিনি আরও মন্তব্য করেন যে এই যোগদান খাগড়াছড়িতে নতুন বার্তা বহন করবে। দেরিতে হলেও তারা সঠিক জায়গায় এবং সঠিক ঠিকানায় এসেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নবাগতরা বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা রাখবেন।
এর আগে গত ২২ নভেম্বর রাতে জেলার গুইমারা উপজেলায় জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের আরও ১৯ জন নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছিলেন।



















