১২:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

যশোরে স্কুলছাত্র অলিদ হাসান হত্যা মামলা: চারজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৪৯

যশোর সদর উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের স্কুলছাত্র অলিদ হাসান হত্যা মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট ও দোষীপত্র দাখিল করেছে পুলিশ।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে কোতোয়ালি থানার এসআই আল আমিন হোসেন সম্প্রতি আদালতে এই প্রতিবেদন জমা দেন।
চার্জশিটে অভিযুক্ত চারজন হলেন:
* রিপন হোসেন (পাগলাদাহ গ্রামের লুৎফর মোল্যার ছেলে)।
* রাশেদুল ইসলাম (পাগলাদাহ গ্রামের বাবর আলীর ছেলে)।
* আজমীর আলী আপন (পাগলাদাহ গ্রামের রিপন হোসেনের ছেলে)।
* শামীম শেখ (বড় হৈবতপুর গ্রামের আবু সাঈদ শেখের ছেলে)।
তদন্ত কর্মকর্তা একজন প্রাপ্তবয়স্ক আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট এবং অন্য তিনজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে দোষীপত্র আদালতে জমা দিয়েছেন। অভিযুক্ত চারজনকেই আটক দেখানো হয়েছে।
অন্যদিকে, তদন্তে সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় অভিযুক্ত লুৎফর রহমানকে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়েছে।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নিহত নবম শ্রেণির ছাত্র অলিদ হাসান চলতি বছরের ৩১ মার্চ (ঈদের দিন) সন্ধ্যায় মায়ের কাছ থেকে টাকা নিয়ে মোবাইলে কথা বলতে বলতে বাড়ি থেকে বের হয়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বজনেরা খবর পান যে অলিদ ও তার বন্ধু আরিফ ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হয়ে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
হাসপাতালে পৌঁছানোর পর স্বজনেরা অলিদকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। এই ঘটনায় নিহতের বাবা বাবর আলী বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের তদন্তে উঠে আসে যে, ৩১ মার্চ বিকেলে অলিদ তার বন্ধুদের সাথে পাগলাদাহ গ্রামের ব্রিজে আড্ডা দিচ্ছিল। এ সময় অভিযুক্ত আসামিরা ব্রিজে বাজি ফোটানো শুরু করলে অলিদ ও তার বন্ধুরা তাদের নিষেধ করেন।
এই নিষেধকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে আসামিরা অলিদ ও তার বন্ধু আরিফকে ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম করে। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে অলিদের মৃত্যু হয়।

সর্বাধিক পঠিত

ঝিকরগাছায় ১৬ দিন ধরে নিখোঁজ কিশোর রাকিব, সন্তানের অপেক্ষায় মায়ের বুকভরা আর্তনাদ

যশোরে স্কুলছাত্র অলিদ হাসান হত্যা মামলা: চারজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল

আপডেট: ১০:০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

যশোর সদর উপজেলার ফরিদপুর গ্রামের স্কুলছাত্র অলিদ হাসান হত্যা মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট ও দোষীপত্র দাখিল করেছে পুলিশ।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে কোতোয়ালি থানার এসআই আল আমিন হোসেন সম্প্রতি আদালতে এই প্রতিবেদন জমা দেন।
চার্জশিটে অভিযুক্ত চারজন হলেন:
* রিপন হোসেন (পাগলাদাহ গ্রামের লুৎফর মোল্যার ছেলে)।
* রাশেদুল ইসলাম (পাগলাদাহ গ্রামের বাবর আলীর ছেলে)।
* আজমীর আলী আপন (পাগলাদাহ গ্রামের রিপন হোসেনের ছেলে)।
* শামীম শেখ (বড় হৈবতপুর গ্রামের আবু সাঈদ শেখের ছেলে)।
তদন্ত কর্মকর্তা একজন প্রাপ্তবয়স্ক আসামির বিরুদ্ধে চার্জশিট এবং অন্য তিনজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে দোষীপত্র আদালতে জমা দিয়েছেন। অভিযুক্ত চারজনকেই আটক দেখানো হয়েছে।
অন্যদিকে, তদন্তে সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় অভিযুক্ত লুৎফর রহমানকে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়েছে।
মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নিহত নবম শ্রেণির ছাত্র অলিদ হাসান চলতি বছরের ৩১ মার্চ (ঈদের দিন) সন্ধ্যায় মায়ের কাছ থেকে টাকা নিয়ে মোবাইলে কথা বলতে বলতে বাড়ি থেকে বের হয়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বজনেরা খবর পান যে অলিদ ও তার বন্ধু আরিফ ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হয়ে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
হাসপাতালে পৌঁছানোর পর স্বজনেরা অলিদকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। এই ঘটনায় নিহতের বাবা বাবর আলী বাদী হয়ে পাঁচজনকে আসামি করে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের তদন্তে উঠে আসে যে, ৩১ মার্চ বিকেলে অলিদ তার বন্ধুদের সাথে পাগলাদাহ গ্রামের ব্রিজে আড্ডা দিচ্ছিল। এ সময় অভিযুক্ত আসামিরা ব্রিজে বাজি ফোটানো শুরু করলে অলিদ ও তার বন্ধুরা তাদের নিষেধ করেন।
এই নিষেধকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে আসামিরা অলিদ ও তার বন্ধু আরিফকে ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম করে। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে অলিদের মৃত্যু হয়।