১১:০৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাউল শিল্পী আবুল সরকারের মুক্তির দাবিতে যশোরে মানববন্ধন

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০২:৪১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৭০

বাউল শিল্পী আবুল সরকারের দ্রুত ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন ও সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২২ নভেম্বর, ২০২৫) সকাল সাড়ে ১১টায় যশোরের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে যশোর প্রেসক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন অ্যাডভোকেট সানোয়ারুল হক দুলু। এ সময় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হারুন অর রশিদ, যোগেশ দত্ত, মোস্তাফিজুর রহমান, হাসিবুর রহমান, আনোয়ারুল ইসলাম, করিম হোসেনসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বাউল শিল্পী আবুল সরকারের অবিলম্বে ও বিনা শর্তে মুক্তির দাবি জানিয়ে হুঁশিয়ারি দেন যে, তার মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, একটি রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে ‘কারা কারা বেহেস্তের টিকিট পেয়েছেন’—এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হচ্ছে কি না, তা বিবেচনা করা জরুরি। বক্তারা এ ধরনের বক্তব্যের বিরুদ্ধেও যথাযথ পদক্ষেপের আহ্বান জানান।
মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা প্রতিবাদ হিসেবে বাউল গান পরিবেশন করেন এবং এর মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

সর্বাধিক পঠিত

নরসিংদীতে ভূমি কর্মকর্তার সাড়ে ৫ কোটি টাকার সম্পদ, আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন

বাউল শিল্পী আবুল সরকারের মুক্তির দাবিতে যশোরে মানববন্ধন

আপডেট: ০২:৪১:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

বাউল শিল্পী আবুল সরকারের দ্রুত ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন ও সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২২ নভেম্বর, ২০২৫) সকাল সাড়ে ১১টায় যশোরের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে যশোর প্রেসক্লাবের সামনে এই কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধনে নেতৃত্ব দেন অ্যাডভোকেট সানোয়ারুল হক দুলু। এ সময় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হারুন অর রশিদ, যোগেশ দত্ত, মোস্তাফিজুর রহমান, হাসিবুর রহমান, আনোয়ারুল ইসলাম, করিম হোসেনসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বাউল শিল্পী আবুল সরকারের অবিলম্বে ও বিনা শর্তে মুক্তির দাবি জানিয়ে হুঁশিয়ারি দেন যে, তার মুক্তি না হওয়া পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অঙ্গনের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, একটি রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে ‘কারা কারা বেহেস্তের টিকিট পেয়েছেন’—এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হচ্ছে কি না, তা বিবেচনা করা জরুরি। বক্তারা এ ধরনের বক্তব্যের বিরুদ্ধেও যথাযথ পদক্ষেপের আহ্বান জানান।
মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা প্রতিবাদ হিসেবে বাউল গান পরিবেশন করেন এবং এর মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।