নিজস্ব প্রতিবেদক
বেনাপোল স্থলবন্দরে আনছার বাহিনীর প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে বন্দর গেটগুলো সদস্যদের কাছে ইজারা দিয়ে প্রতি সপ্তাহে ১ লাখ ৪৬ হাজার টাকা এবং মাসে প্রায় ৫ লাখ ৮৪ হাজার টাকা অবৈধভাবে চাঁদাবাজি করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি শুধু চাঁদাবাজি নয়, ভারত থেকে আসা আমদানি পণ্যের আড়ালে কাগজপত্রবিহীন অবৈধ পণ্য ও চোরাচালানেও সহযোগিতা করছেন।
চাঁদা আদায়ের কৌশল ও উৎস
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পিসি মিজানুর রহমান বন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গেট ও স্থান থেকে নিয়মিত হারে অর্থ উত্তোলন করেন। আমদানিকৃত পণ্যবাহী বাংলাদেশ ও ভারত থেকে আসা ট্রাকগুলো থেকে এই টাকা তোলা হয়।
চাঁদা আদায়ের খাত (সাপ্তাহিক হিসাবে):
| স্থান | সাপ্তাহিক আদায়ের অভিযোগ (টাকা) |
স্থলবন্দর বাশকল ১২,০০০
১, ৩, ১৭, ২৮ নং গেট ৩,০০০ (প্রতিটি গেট) |
কাঁচামাল গেট ৩৫,০০০
পার্কিং গেট | ৪০,০০০ ৫ নং গেট | ৫,০০০ | ৬ নং গেট | ৪,০০০ |
৭ নং গেট | ৩,০০০ |
৮ নং গেট | ৪,০০০ |
১৬ নং গেট | ১৪,০০০ |
৯ নং গেট | ৫,০০০ |
বাস টার্মিনাল | ৪,০০০ |
রফতানি গেট ৫,০০০
মোট মাসিক আদায়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫,৮৪,০০০ টাকা।
চোরাচালানে যোগসাজশের অভিযোগ
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন, ভারতীয় চোরাচালানিরা এদেশীয় কিছু চোরাচালানির সঙ্গে আঁতাত করে আমদানি পণ্যের গাড়িতে বিভিন্ন ধরনের অবৈধ পণ্য নিয়ে আসে। আর এই কাজে আনছার পিসি মিজানুর রহমান সরাসরি সহযোগিতা করেন। এছাড়াও অনেক আমদানিকারক শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ঘোষণা বহির্ভূত পণ্য আনলে, তিনি সেটিতেও সহায়তা দিয়ে থাকেন।
পিসি মিজানের বক্তব্য
চাঁদাবাজি ও অবৈধ পণ্য পাচারে সহযোগিতার বিষয়ে জানতে চাইলে আনছার পিসি মিজানুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আগে হয়তো এসব হতো। এখানকার বর্তমান পরিবেশ ভিন্ন। এখনও পরিবেশ স্বাভাবিক নয়। আর আমি এসব কিছু জানি না।”



























