০৭:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

ফুটবল খেলা নিয়ে ঝগড়ার জেরে ঘুমন্ত মাদরাসা ছাত্রকে গলা কেটে হত্যা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৫৭:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৫৫

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে ফুটবল খেলা নিয়ে পূর্ব বিরোধের জের ধরে ঘুমের মধ্যে এক মাদরাসা ছাত্রকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাটরা আল মাদরাসাতুল ইসলামিয়া মাখফুনুল উলুম মাদরাসায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত অপর ছাত্রকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত ছাত্রের নাম মো. নাজিম উদ্দিন (১৩)। সে উপজেলার চাষীরহাট ইউনিয়নের জাহানাবাদ গ্রামের ওবায়েদ উল্ল্যার ছেলে। আটক অভিযুক্তের নাম আবু ছায়েদ (১৬), সে ময়মনসিংহ জেলার টেঙ্গাপাড়া গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে।
বিরোধ ও হত্যার পরিকল্পনা
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত নাজিম ২২ পারা এবং আটক ছায়েদ ২৩ পারা কোরআন হেফজ সম্পন্ন করেছিল এবং তারা মাদরাসার আবাসিক বিভাগেই থাকত। প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন আগে ফুটবল খেলা ও টুপি পরা নিয়ে নাজিম ও আবু ছায়েদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে মাদরাসার এক শিক্ষক বিষয়টি মিটমাট করে দিলেও, ছায়েদ নাজিমের ওপর ক্ষিপ্ত ছিল।
জানা যায়, এই ঘটনার জের ধরে প্রতিশোধ নিতে ছায়েদ সোনাইমুড়ী বাজার থেকে ৩০০ টাকা দিয়ে একটি ধারালো ছুরি কিনে আনে।
রবিবার রাতে প্রতিদিনের মতো আবাসিক কক্ষে ১৪ জন ছাত্র ও একজন শিক্ষক ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আড়াইটার দিকে অন্য ছাত্রদের অগোচরে ছায়েদ ঘুম থেকে উঠে ঘুমন্ত নাজিমকে গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করে।
সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সোমবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “লাশের সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযুক্ত ছাত্রকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়েছে।”

সর্বাধিক পঠিত

বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল আলমের ৭৬তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন, যশোর প্রেসক্লাবে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান

ফুটবল খেলা নিয়ে ঝগড়ার জেরে ঘুমন্ত মাদরাসা ছাত্রকে গলা কেটে হত্যা

আপডেট: ১০:৫৭:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে ফুটবল খেলা নিয়ে পূর্ব বিরোধের জের ধরে ঘুমের মধ্যে এক মাদরাসা ছাত্রকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রবিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাটরা আল মাদরাসাতুল ইসলামিয়া মাখফুনুল উলুম মাদরাসায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত অপর ছাত্রকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত ছাত্রের নাম মো. নাজিম উদ্দিন (১৩)। সে উপজেলার চাষীরহাট ইউনিয়নের জাহানাবাদ গ্রামের ওবায়েদ উল্ল্যার ছেলে। আটক অভিযুক্তের নাম আবু ছায়েদ (১৬), সে ময়মনসিংহ জেলার টেঙ্গাপাড়া গ্রামের রুস্তম আলীর ছেলে।
বিরোধ ও হত্যার পরিকল্পনা
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত নাজিম ২২ পারা এবং আটক ছায়েদ ২৩ পারা কোরআন হেফজ সম্পন্ন করেছিল এবং তারা মাদরাসার আবাসিক বিভাগেই থাকত। প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন আগে ফুটবল খেলা ও টুপি পরা নিয়ে নাজিম ও আবু ছায়েদের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে মাদরাসার এক শিক্ষক বিষয়টি মিটমাট করে দিলেও, ছায়েদ নাজিমের ওপর ক্ষিপ্ত ছিল।
জানা যায়, এই ঘটনার জের ধরে প্রতিশোধ নিতে ছায়েদ সোনাইমুড়ী বাজার থেকে ৩০০ টাকা দিয়ে একটি ধারালো ছুরি কিনে আনে।
রবিবার রাতে প্রতিদিনের মতো আবাসিক কক্ষে ১৪ জন ছাত্র ও একজন শিক্ষক ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আড়াইটার দিকে অন্য ছাত্রদের অগোচরে ছায়েদ ঘুম থেকে উঠে ঘুমন্ত নাজিমকে গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করে।
সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সোমবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, “লাশের সুরতহাল শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযুক্ত ছাত্রকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করা হয়েছে।”