০২:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

বাঁওড়ের মাছ ধরতে গিয়ে ঝিনাইদহে শিশুর মৃত্যু, দুই শিশু হাসপাতালে

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬০৫

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় বাঁওড়ে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে ডুবে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় অসুস্থ অবস্থায় দুই শিশুকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (৮ অক্টোবর) বিকাল ৩টার দিকে কোটচাঁদপুর উপজেলার জয়দিয়া বাঁওড়ে। মৃত শিশুর নাম নয়ন, সে বাঁওড়ের পার্শ্ববর্তী লক্ষীকণ্ডু গ্রামের এলামুল হকের ছেলে। জীবিত উদ্ধার হওয়া অন্য দুই শিশু হলো, একই এলাকার ইয়ামিন (১১), (জিয়াউর রহমানের ছেলে) এবং তুহিন (১১), (মিন্টু মিয়ার ছেলে)।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, জয়দিয়া বাঁওড়ের ইজারাদাররা ‘রানি মাছ’ নিধনের জন্য কীটনাশক ব্যবহার করায় প্রচুর মাছ মরে ভেসে ওঠে। এতে স্থানীয় মানুষজন বাঁওড়ে নেমে হাত দিয়ে মাছ ধরতে শুরু করে।
এলাকাবাসীর সঙ্গে ইয়ামিন, তুহিন ও নয়ন—এই তিন শিশুও বাঁওড়ের ধারে পানিতে নেমে মাছ ধরছিল। একপর্যায়ে তারা তিনজনই পানিতে ডুবে যায়। আশেপাশে অনেকেই মাছ ধরতে ব্যস্ত থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে কেউ বিষয়টি খেয়াল করেনি। কিছুক্ষণ পর মাছ ধরতে থাকা লোকজনের পায়ে তাদের শরীর বাধলে তিনজনকে পানি থেকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করার আগেই নয়ন পানিতে মারা যায়। অপর দুই শিশু ইয়ামিন ও তুহিনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত কোটচাঁদপুর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করে।
হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার আশরাফুল ইসলাম জানান, বর্তমানে শিশু দুটির বিপদ কেটে গেছে এবং তারা শঙ্কামুক্ত। কোটচাঁদপুর উপজেলার সাফদারপুর ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই রফিকুল ইসলাম নয়নের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সর্বাধিক পঠিত

কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই ঠিকাদারকে বিল পরিশোধের অভিযোগ গণপূর্ত প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে

বাঁওড়ের মাছ ধরতে গিয়ে ঝিনাইদহে শিশুর মৃত্যু, দুই শিশু হাসপাতালে

আপডেট: ০৮:০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলায় বাঁওড়ে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে ডুবে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় অসুস্থ অবস্থায় দুই শিশুকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (৮ অক্টোবর) বিকাল ৩টার দিকে কোটচাঁদপুর উপজেলার জয়দিয়া বাঁওড়ে। মৃত শিশুর নাম নয়ন, সে বাঁওড়ের পার্শ্ববর্তী লক্ষীকণ্ডু গ্রামের এলামুল হকের ছেলে। জীবিত উদ্ধার হওয়া অন্য দুই শিশু হলো, একই এলাকার ইয়ামিন (১১), (জিয়াউর রহমানের ছেলে) এবং তুহিন (১১), (মিন্টু মিয়ার ছেলে)।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, জয়দিয়া বাঁওড়ের ইজারাদাররা ‘রানি মাছ’ নিধনের জন্য কীটনাশক ব্যবহার করায় প্রচুর মাছ মরে ভেসে ওঠে। এতে স্থানীয় মানুষজন বাঁওড়ে নেমে হাত দিয়ে মাছ ধরতে শুরু করে।
এলাকাবাসীর সঙ্গে ইয়ামিন, তুহিন ও নয়ন—এই তিন শিশুও বাঁওড়ের ধারে পানিতে নেমে মাছ ধরছিল। একপর্যায়ে তারা তিনজনই পানিতে ডুবে যায়। আশেপাশে অনেকেই মাছ ধরতে ব্যস্ত থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে কেউ বিষয়টি খেয়াল করেনি। কিছুক্ষণ পর মাছ ধরতে থাকা লোকজনের পায়ে তাদের শরীর বাধলে তিনজনকে পানি থেকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করার আগেই নয়ন পানিতে মারা যায়। অপর দুই শিশু ইয়ামিন ও তুহিনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত কোটচাঁদপুর উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করে।
হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার আশরাফুল ইসলাম জানান, বর্তমানে শিশু দুটির বিপদ কেটে গেছে এবং তারা শঙ্কামুক্ত। কোটচাঁদপুর উপজেলার সাফদারপুর ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই রফিকুল ইসলাম নয়নের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।