১০:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

নিট আন্দোলনের পর রাজনীতিতে আসছে কি ককরোচ জনতা পার্টি?

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:২৯:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
  • ৫০৯

নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস বিতর্ককে কেন্দ্র করে টানা এক মাসের আন্দোলনের পর ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবিগুলো সরকার মেনে নেওয়ার পর ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সিজেপি কি সরাসরি নির্বাচনী রাজনীতিতে নামবে, নাকি আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম হিসেবেই কাজ করবে—এমন প্রশ্নের মুখে সংগঠনটির দুই শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, আপাতত পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে ভবিষ্যতে সরাসরি রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি তাঁরা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস আন্দোলন-পরবর্তী পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মকৌশল নিয়ে কথা বলেন।

আন্দোলনের সাফল্যের পর নিজের অনুভূতি জানিয়ে আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, তাঁর এখন একমাত্র ইচ্ছা বাড়ি ফিরে বিশ্রাম নেওয়া এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানো। গত দুই মাস ধরে তিনি বাড়ির বাইরে রয়েছেন বলেও জানান।

ভবিষ্যতে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে রাঙ্কা বলেন, ‘ভারতে কোনো বিষয়কেই কখনোই চূড়ান্তভাবে না বলা যায় না।’

তবে সিজেপির আরেক মুখপাত্র সৌরভ দাস স্পষ্ট করে বলেন, এই মুহূর্তে সরাসরি নির্বাচনী রাজনীতিতে নামা তাঁদের মূল লক্ষ্য নয়। বরং আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়াই তাঁদের প্রধান অগ্রাধিকার।

সৌরভ দাস বলেন, ‘দেশে ইতিমধ্যেই সাড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ রাজনৈতিক দল রয়েছে। কিন্তু তাদের কেউই তরুণদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারছে না। আমরা এই আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে এমনভাবে ছড়িয়ে দিতে চাই, যাতে ক্ষমতায় থাকা যেকোনো রাজনৈতিক দল বা নেতা তরুণদের জন্য কাজ করতে এবং তাঁদের দাবি পূরণ করতে বাধ্য হন।’

তিনি বলেন, আপাতত এটিই তাঁদের প্রধান অ্যাজেন্ডা।

সিজেপি নেতাদের এই মন্তব্য সামনে এলো ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দিন। নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্ককে কেন্দ্র করে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা ছাত্র আন্দোলনের পর তিনি পদত্যাগ করেন।

পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাবলি তাঁকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, বিষয়টি তাঁর ব্যক্তিগত মর্যাদার প্রশ্ন নয়। পরিস্থিতিকে কোনো ‘রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি’ যেন কাজে লাগাতে না পারে এবং দেশের ঐক্য বজায় থাকে—এ বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তাঁর পদত্যাগের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘ শাসনামলে বড় ধরনের গণবিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করা দ্বিতীয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এর আগে ২০১৮ সালে ‘মি টু’ আন্দোলনের সময় যৌন হয়রানির অভিযোগের পর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর পদত্যাগ করেছিলেন।

আপের সাবেক কর্মী অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে মে মাসে বিদ্রূপাত্মক অনলাইন প্রচারণা হিসেবে সিজেপির কার্যক্রম শুরু হয়। পরে তা ভারতের অন্যতম বড় যুব আন্দোলনে রূপ নেয়।

গত ২০ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপির অনির্দিষ্টকালের অবস্থানের মধ্য দিয়ে আন্দোলন নতুন গতি পায়। পরে পরিবেশকর্মী সোনাম ওয়াংচুক আন্দোলনে যুক্ত হলে তা আরও জোরালো হয়। তিনি টানা ২৬ দিন অনশনের পর গত বৃহস্পতিবার অনশন ভঙ্গ করেন।

গত ২০ জুলাই সরকার প্রথমবার সিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসে। পরে আলোচনার স্থান মন্ত্রীর বাসভবন থেকে সরিয়ে নিরপেক্ষ স্থান ‘কনস্টিটিউশন ক্লাব অব ইন্ডিয়া’তে নেওয়া হয়। সেখানে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে সিজেপি নেতাদের চূড়ান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

চূড়ান্ত বৈঠক সম্পর্কে আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, আগের বৈঠকগুলোর তুলনায় শেষ বৈঠকের পরিবেশ ছিল অনেক বেশি সৌহার্দ্যপূর্ণ। তাঁর দাবি, তাঁরা বৈঠকে পৌঁছানোর আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি কার্যকর হয়ে যায়।

বাকি দাবিগুলো নিয়েও দ্রুত সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয় বলে জানান তিনি।

আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ফৌজদারি মামলা ও এফআইআর প্রত্যাহারের বিষয়ে রাঙ্কা বলেন, সরকার আন্দোলনকারী ও আয়োজকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে নতুন মামলা না করার বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে।

তিনি বলেন, সিজেপি শুরু থেকেই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পক্ষে ছিল এবং গত ৩৭ দিনের আন্দোলনে তাঁরা সেটিই বজায় রেখেছেন। এ বিষয়ে শিগগিরই লিখিত চুক্তি হবে বলেও জানান তিনি।

আন্দোলনকারীদের ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ বা ‘ভাইরাস’ হিসেবে অভিহিত করার অভিযোগ প্রসঙ্গে আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, তাঁরা আশা করেন সরকার ভবিষ্যতে আর আন্দোলনকারীদের এভাবে চিহ্নিত করবে না।

তিনি বলেন, ‘আমি পেছনের বিতর্কে যেতে চাই না। তবে আশা করি, ভবিষ্যতে আমাদের আর দেশবিরোধী বা ভাইরাস বলা হবে না। দিনশেষে আমার মনে হয়, আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।’

সিজেপির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত। তবে সংগঠনটির নেতাদের বক্তব্যে স্পষ্ট, আপাতত সরাসরি নির্বাচনী রাজনীতির চেয়ে তরুণদের দাবিকে কেন্দ্র করে একটি বৃহত্তর সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন গড়ে তোলাকেই তাঁরা অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।

সর্বাধিক পঠিত

শার্শা সীমান্তে অভিযানে ২৬ বোতল এস্কাফ সিরাপসহ মাদক কারবারি আটক

নিট আন্দোলনের পর রাজনীতিতে আসছে কি ককরোচ জনতা পার্টি?

আপডেট: ০৯:২৯:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

নিট (NEET) পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস বিতর্ককে কেন্দ্র করে টানা এক মাসের আন্দোলনের পর ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবিগুলো সরকার মেনে নেওয়ার পর ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সিজেপি কি সরাসরি নির্বাচনী রাজনীতিতে নামবে, নাকি আন্দোলনের প্ল্যাটফর্ম হিসেবেই কাজ করবে—এমন প্রশ্নের মুখে সংগঠনটির দুই শীর্ষ নেতা জানিয়েছেন, আপাতত পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে ভবিষ্যতে সরাসরি রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি তাঁরা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস আন্দোলন-পরবর্তী পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মকৌশল নিয়ে কথা বলেন।

আন্দোলনের সাফল্যের পর নিজের অনুভূতি জানিয়ে আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, তাঁর এখন একমাত্র ইচ্ছা বাড়ি ফিরে বিশ্রাম নেওয়া এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটানো। গত দুই মাস ধরে তিনি বাড়ির বাইরে রয়েছেন বলেও জানান।

ভবিষ্যতে সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে রাঙ্কা বলেন, ‘ভারতে কোনো বিষয়কেই কখনোই চূড়ান্তভাবে না বলা যায় না।’

তবে সিজেপির আরেক মুখপাত্র সৌরভ দাস স্পষ্ট করে বলেন, এই মুহূর্তে সরাসরি নির্বাচনী রাজনীতিতে নামা তাঁদের মূল লক্ষ্য নয়। বরং আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়াই তাঁদের প্রধান অগ্রাধিকার।

সৌরভ দাস বলেন, ‘দেশে ইতিমধ্যেই সাড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ রাজনৈতিক দল রয়েছে। কিন্তু তাদের কেউই তরুণদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারছে না। আমরা এই আন্দোলনকে তৃণমূল পর্যায়ে এমনভাবে ছড়িয়ে দিতে চাই, যাতে ক্ষমতায় থাকা যেকোনো রাজনৈতিক দল বা নেতা তরুণদের জন্য কাজ করতে এবং তাঁদের দাবি পূরণ করতে বাধ্য হন।’

তিনি বলেন, আপাতত এটিই তাঁদের প্রধান অ্যাজেন্ডা।

সিজেপি নেতাদের এই মন্তব্য সামনে এলো ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দিন। নিট প্রশ্নফাঁস বিতর্ককে কেন্দ্র করে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা ছাত্র আন্দোলনের পর তিনি পদত্যাগ করেন।

পদত্যাগপত্রে ধর্মেন্দ্র প্রধান বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনাবলি তাঁকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। একই সঙ্গে তিনি জানান, বিষয়টি তাঁর ব্যক্তিগত মর্যাদার প্রশ্ন নয়। পরিস্থিতিকে কোনো ‘রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি’ যেন কাজে লাগাতে না পারে এবং দেশের ঐক্য বজায় থাকে—এ বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তাঁর পদত্যাগের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দীর্ঘ শাসনামলে বড় ধরনের গণবিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করা দ্বিতীয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এর আগে ২০১৮ সালে ‘মি টু’ আন্দোলনের সময় যৌন হয়রানির অভিযোগের পর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর পদত্যাগ করেছিলেন।

আপের সাবেক কর্মী অভিজিৎ দীপকের নেতৃত্বে মে মাসে বিদ্রূপাত্মক অনলাইন প্রচারণা হিসেবে সিজেপির কার্যক্রম শুরু হয়। পরে তা ভারতের অন্যতম বড় যুব আন্দোলনে রূপ নেয়।

গত ২০ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপির অনির্দিষ্টকালের অবস্থানের মধ্য দিয়ে আন্দোলন নতুন গতি পায়। পরে পরিবেশকর্মী সোনাম ওয়াংচুক আন্দোলনে যুক্ত হলে তা আরও জোরালো হয়। তিনি টানা ২৬ দিন অনশনের পর গত বৃহস্পতিবার অনশন ভঙ্গ করেন।

গত ২০ জুলাই সরকার প্রথমবার সিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনায় বসে। পরে আলোচনার স্থান মন্ত্রীর বাসভবন থেকে সরিয়ে নিরপেক্ষ স্থান ‘কনস্টিটিউশন ক্লাব অব ইন্ডিয়া’তে নেওয়া হয়। সেখানে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে সিজেপি নেতাদের চূড়ান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

চূড়ান্ত বৈঠক সম্পর্কে আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, আগের বৈঠকগুলোর তুলনায় শেষ বৈঠকের পরিবেশ ছিল অনেক বেশি সৌহার্দ্যপূর্ণ। তাঁর দাবি, তাঁরা বৈঠকে পৌঁছানোর আগেই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি কার্যকর হয়ে যায়।

বাকি দাবিগুলো নিয়েও দ্রুত সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয় বলে জানান তিনি।

আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ফৌজদারি মামলা ও এফআইআর প্রত্যাহারের বিষয়ে রাঙ্কা বলেন, সরকার আন্দোলনকারী ও আয়োজকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা এফআইআর প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে নতুন মামলা না করার বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে।

তিনি বলেন, সিজেপি শুরু থেকেই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পক্ষে ছিল এবং গত ৩৭ দিনের আন্দোলনে তাঁরা সেটিই বজায় রেখেছেন। এ বিষয়ে শিগগিরই লিখিত চুক্তি হবে বলেও জানান তিনি।

আন্দোলনকারীদের ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ বা ‘ভাইরাস’ হিসেবে অভিহিত করার অভিযোগ প্রসঙ্গে আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, তাঁরা আশা করেন সরকার ভবিষ্যতে আর আন্দোলনকারীদের এভাবে চিহ্নিত করবে না।

তিনি বলেন, ‘আমি পেছনের বিতর্কে যেতে চাই না। তবে আশা করি, ভবিষ্যতে আমাদের আর দেশবিরোধী বা ভাইরাস বলা হবে না। দিনশেষে আমার মনে হয়, আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি।’

সিজেপির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত। তবে সংগঠনটির নেতাদের বক্তব্যে স্পষ্ট, আপাতত সরাসরি নির্বাচনী রাজনীতির চেয়ে তরুণদের দাবিকে কেন্দ্র করে একটি বৃহত্তর সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন গড়ে তোলাকেই তাঁরা অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।