১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের দুই বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৫৯:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
  • ৫২২

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের আইসিইউ ও অঙ্কোলজি বিভাগের দুই বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার এবং হাসপাতালের অর্থ ব্যবস্থাপনায় অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র এসব অভিযোগ তুললেও, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন বা লিখিত বক্তব্য প্রকাশ করেনি।

অভিযোগ অনুযায়ী, আইসিইউ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মাহাদী হাসানের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অনিয়ম, প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক অসঙ্গতির অভিযোগ রয়েছে। একইভাবে অঙ্কোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. সিফাতুজ্জাহানের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন সেবা কার্যক্রমে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন, আদালতের রায় বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।

হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্রের দাবি, বিষয়গুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।

সংবাদ প্রকাশ পর্যন্ত অভিযুক্ত দুই চিকিৎসকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া সম্ভব হয়নি।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অভিযোগগুলো যেহেতু জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট, তাই নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তদন্ত বা আদালতের মাধ্যমে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।

 

 

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় ভাই জখম

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের দুই বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট: ০৯:৫৯:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের আইসিইউ ও অঙ্কোলজি বিভাগের দুই বিভাগীয় প্রধানের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার এবং হাসপাতালের অর্থ ব্যবস্থাপনায় অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র এসব অভিযোগ তুললেও, এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন বা লিখিত বক্তব্য প্রকাশ করেনি।

অভিযোগ অনুযায়ী, আইসিইউ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. মাহাদী হাসানের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অনিয়ম, প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার এবং বিভিন্ন প্রকল্পে আর্থিক অসঙ্গতির অভিযোগ রয়েছে। একইভাবে অঙ্কোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. সিফাতুজ্জাহানের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন সেবা কার্যক্রমে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো সরকারি তদন্ত প্রতিবেদন, আদালতের রায় বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।

হাসপাতাল-সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্রের দাবি, বিষয়গুলো নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।

সংবাদ প্রকাশ পর্যন্ত অভিযুক্ত দুই চিকিৎসকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া সম্ভব হয়নি।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, অভিযোগগুলো যেহেতু জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট, তাই নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে তদন্ত বা আদালতের মাধ্যমে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।