যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাগরদাঁড়িতে বাংলা সাহিত্যের অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৫৩তম মৃত্যুবার্ষিকী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) এ উপলক্ষে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাগরদাঁড়ি মধুপল্লী কাস্টোডিয়ান কার্যালয় এবং মধুসূদন একাডেমির উদ্যোগে পৃথকভাবে আলোচনা সভা, কবির আবক্ষ মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আবৃত্তি ও মধুগীতি পরিবেশনসহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাগরদাঁড়ি মধুপল্লী কাস্টোডিয়ান কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাগরদাঁড়ি মধুপল্লীর কাস্টোডিয়ান মো. হাসানুজ্জামান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাজী মো. মেশকাতুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বক্তারা মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্ম, বাংলা কাব্যে তাঁর অসামান্য অবদান এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরেন। তাঁরা বলেন, বাংলা সাহিত্যে মাইকেল মধুসূদন দত্তের অবদান চিরস্মরণীয় এবং নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁর সাহিত্যকর্ম পৌঁছে দিতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
এদিকে একই দিনে সাগরদাঁড়িতে মধুসূদন একাডেমির উদ্যোগে আয়োজিত পৃথক অনুষ্ঠানে কবির আবক্ষ মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা, কবিতা আবৃত্তি ও মধুগীতি পরিবেশন করা হয়।
মধুসূদন একাডেমির চেয়ারম্যান কাসেদুজ্জামান সেলিম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ডিসিপ্লিনের বিভাগীয় প্রধান ড. তানভীর দুলাল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মধুসূদন একাডেমির পরিচালক কবি খসরু পারভেজ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন একাডেমির উপ-পরিচালক মকবুল মাহফুজ, আবু শারাফ সাদেক বাণিজ্য ও কারিগরি মহাবিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক কানাইলাল ভট্টাচার্য, একাডেমির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক তাহেরুজ্জামান তাছু, সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আকরাম হোসেন খান, কবি ও কথাসাহিত্যিক চঞ্চল শাহরিয়ার, সাগরদাঁড়ি মাইকেল মধুসূদন ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গৌতম দত্ত, যশোরের সিদ্দিয়া আদর্শ মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক ইমদাদুল হক, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান এবং এনটিভির স্টাফ রিপোর্টার সাইফুল ইসলাম সজল।
অনুষ্ঠানের শেষে কবির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর সাহিত্যকর্ম সংরক্ষণ, গবেষণা এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বক্তারা।





















