০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

তেহরানে ব্রিটিশ দূতাবাস সাময়িকভাবে বন্ধ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:২০:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫১২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থিত ব্রিটিশ দূতাবাস সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। নিরাপত্তার কারণে দূতাবাস থেকে রাষ্ট্রদূতসহ সকল কর্মীকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। খবর রয়টার্সের।
সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য
ব্রিটিশ সরকারের একজন মুখপাত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন:
“আমরা তেহরানের ব্রিটিশ দূতাবাস সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছি। তবে দূতাবাসের দাপ্তরিক কার্যক্রম একেবারে বন্ধ হচ্ছে না; এখন থেকে এটি দূরবর্তী স্থান (রিমোটলি) থেকে পরিচালিত হবে।”
এই পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর তাদের নাগরিকদের জন্য হালনাগাদ করা ‘ট্রাভেল অ্যাডভাইস’ বা ভ্রমণ নির্দেশিকা জারি করেছে।
কর্মীদের নিরাপত্তা ও স্থানান্তর
ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের মতে, কর্মীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে রাষ্ট্রদূত এবং কনস্যুলার কর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
নেপথ্যের কারণ ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
এই পদক্ষেপটি এমন এক সময়ে নেওয়া হলো যখন ইরান এক ভয়াবহ অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মহলেও উত্তেজনা তুঙ্গে:
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন।
: ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ওয়াশিংটন কোনো হামলা চালালে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত করা হবে।
এই পাল্টাপাল্টি হুমকির মুখে ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র ইতিপূর্বেই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে তাদের অ-অপরিহার্য কর্মীদের সরিয়ে নিতে শুরু করেছে।
যুক্তরাজ্যের এই সিদ্ধান্ত ইরানের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন করে টানাপোড়েন সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।

সর্বাধিক পঠিত

নড়াইলে যৌথ বাহিনীর অভিযানে : পিস্তল ও ৮০০ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার ৪

তেহরানে ব্রিটিশ দূতাবাস সাময়িকভাবে বন্ধ

আপডেট: ০৯:২০:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ইরানের রাজধানী তেহরানে অবস্থিত ব্রিটিশ দূতাবাস সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে যুক্তরাজ্য। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। নিরাপত্তার কারণে দূতাবাস থেকে রাষ্ট্রদূতসহ সকল কর্মীকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। খবর রয়টার্সের।
সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য
ব্রিটিশ সরকারের একজন মুখপাত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন:
“আমরা তেহরানের ব্রিটিশ দূতাবাস সাময়িকভাবে বন্ধ রেখেছি। তবে দূতাবাসের দাপ্তরিক কার্যক্রম একেবারে বন্ধ হচ্ছে না; এখন থেকে এটি দূরবর্তী স্থান (রিমোটলি) থেকে পরিচালিত হবে।”
এই পরিবর্তনের প্রেক্ষিতে ব্রিটিশ পররাষ্ট্র দপ্তর তাদের নাগরিকদের জন্য হালনাগাদ করা ‘ট্রাভেল অ্যাডভাইস’ বা ভ্রমণ নির্দেশিকা জারি করেছে।
কর্মীদের নিরাপত্তা ও স্থানান্তর
ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের মতে, কর্মীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে রাষ্ট্রদূত এবং কনস্যুলার কর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
নেপথ্যের কারণ ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
এই পদক্ষেপটি এমন এক সময়ে নেওয়া হলো যখন ইরান এক ভয়াবহ অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মহলেও উত্তেজনা তুঙ্গে:
* ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হস্তক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন।
: ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ওয়াশিংটন কোনো হামলা চালালে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত করা হবে।
এই পাল্টাপাল্টি হুমকির মুখে ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র ইতিপূর্বেই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে তাদের অ-অপরিহার্য কর্মীদের সরিয়ে নিতে শুরু করেছে।
যুক্তরাজ্যের এই সিদ্ধান্ত ইরানের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন করে টানাপোড়েন সৃষ্টি করতে পারে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা।