১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরীকে শোকজ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:২৭:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৪৯

নির্বাচনে প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণ করা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে।
জামায়াতে ইসলামী মঙ্গলবার জানায়, দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত এই নোটিশটি গত সোমবার শাহজাহান চৌধুরীকে পাঠানো হয়েছে।

শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, গত শনিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী দায়িত্বশীল সম্মেলনে শাহজাহান চৌধুরী বক্তব্য রাখেন:
“নির্বাচন শুধু জনগণ দিয়ে নয় যার যার নির্বাচনী এলাকায় প্রশাসনের যারা আছে, তাদের সবাইকে আমাদের আন্ডারে নিয়ে আসতে হবে। আমাদের কথায় উঠবে, আমাদের কথায় বসবে, আমাদের কথায় গ্রেফতার করবে, আমাদের কথায় মামলা করবে।”

জামায়াত কর্তৃপক্ষ এই বক্তব্যকে রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের পেশাদারি, নিরপেক্ষতা ও মূল স্পিরিটকে স্পষ্টভাবে ব্যাহতকারী বলে উল্লেখ করেছে। নোটিশে বলা হয়, প্রশাসন পূর্ণ পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে এবং সেখানে সংগঠনের হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই।
* শৃঙ্খলাভঙ্গ: জামায়াত জানিয়েছে, শাহজাহান চৌধুরী ইতিপূর্বে বিভিন্ন সময়েও এই ধরনের সাংগঠনিক ভাব-মর্যাদা ক্ষুণ্নকারী ও শৃঙ্খলাবিরোধী বক্তব্য রেখেছেন, যার ফলে তাকে কয়েকবার সতর্ক করা হয়েছে এবং জামায়াত আমিরও ডেকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
* প্রতিক্রিয়া: এই বক্তব্য প্রকাশের পর প্রশাসনের বিভিন্ন স্তর থেকে তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি দেশের কূটনৈতিক মহল এবং দেশ-বিদেশের জনশক্তি ও সাধারণ জনগণের মাঝেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
* গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী: জামায়াত মনে করে, এই বক্তব্য সংগঠনের ভাব-মর্যাদা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং এটি দলীয় গঠনতন্ত্র, নীতি, আদর্শ, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণের পরিপন্থী।

জামায়াত আমিরের নির্দেশে এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে যে, কেন শাহজাহান চৌধুরীর ব্যাপারে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না? তাকে আগামী সাত দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পাওয়া গেলে দলীয় গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সর্বাধিক পঠিত

ঝিকরগাছায় ১৬ দিন ধরে নিখোঁজ কিশোর রাকিব, সন্তানের অপেক্ষায় মায়ের বুকভরা আর্তনাদ

বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরীকে শোকজ

আপডেট: ০৩:২৭:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

নির্বাচনে প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণ করা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী তাদের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনের মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে।
জামায়াতে ইসলামী মঙ্গলবার জানায়, দলের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত এই নোটিশটি গত সোমবার শাহজাহান চৌধুরীকে পাঠানো হয়েছে।

শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, গত শনিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি কনভেনশন হলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী দায়িত্বশীল সম্মেলনে শাহজাহান চৌধুরী বক্তব্য রাখেন:
“নির্বাচন শুধু জনগণ দিয়ে নয় যার যার নির্বাচনী এলাকায় প্রশাসনের যারা আছে, তাদের সবাইকে আমাদের আন্ডারে নিয়ে আসতে হবে। আমাদের কথায় উঠবে, আমাদের কথায় বসবে, আমাদের কথায় গ্রেফতার করবে, আমাদের কথায় মামলা করবে।”

জামায়াত কর্তৃপক্ষ এই বক্তব্যকে রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের পেশাদারি, নিরপেক্ষতা ও মূল স্পিরিটকে স্পষ্টভাবে ব্যাহতকারী বলে উল্লেখ করেছে। নোটিশে বলা হয়, প্রশাসন পূর্ণ পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে এবং সেখানে সংগঠনের হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই।
* শৃঙ্খলাভঙ্গ: জামায়াত জানিয়েছে, শাহজাহান চৌধুরী ইতিপূর্বে বিভিন্ন সময়েও এই ধরনের সাংগঠনিক ভাব-মর্যাদা ক্ষুণ্নকারী ও শৃঙ্খলাবিরোধী বক্তব্য রেখেছেন, যার ফলে তাকে কয়েকবার সতর্ক করা হয়েছে এবং জামায়াত আমিরও ডেকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
* প্রতিক্রিয়া: এই বক্তব্য প্রকাশের পর প্রশাসনের বিভিন্ন স্তর থেকে তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি দেশের কূটনৈতিক মহল এবং দেশ-বিদেশের জনশক্তি ও সাধারণ জনগণের মাঝেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
* গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী: জামায়াত মনে করে, এই বক্তব্য সংগঠনের ভাব-মর্যাদা গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং এটি দলীয় গঠনতন্ত্র, নীতি, আদর্শ, শৃঙ্খলা ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণের পরিপন্থী।

জামায়াত আমিরের নির্দেশে এই নোটিশ দেওয়া হয়েছে যে, কেন শাহজাহান চৌধুরীর ব্যাপারে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না? তাকে আগামী সাত দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না পাওয়া গেলে দলীয় গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।