১২:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

যশোরে যুবদল নেতার বাড়িতে বোমা উদ্ধার: ‘সাজানো নাটক’ বলে অভিযোগ বিএনপির

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১১:২২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৪৬

যশোর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আল রানা-এর বাড়ি থেকে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বোমা ও দেশি অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। অভিযান শেষে তাকে আটক করা হলেও জেলা বিএনপি ও যুবদল এটিকে ‘সম্পূর্ণ সাজানো নাটক’ এবং ‘পূর্ব পরিকল্পিত’ ঘটনা বলে তীব্র অভিযোগ করেছে।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর, ২০২৫) ভোরে যশোর চাঁচড়া রায়পাড়া রাজা বরদাকান্ত রোড এলাকায় মাসুদ আল রানার বাড়িতে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। অভিযানে সাতটি ককটেল, তিনটি পেট্রোল বোমা এবং বেশ কিছু ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। আটক মাসুদ আল রানা চাঁচড়া রায়পাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে।
উদ্ধার অভিযানের পর কোতোয়ালি থানার এসআই আনিছুর রহমান খান বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করেন। মঙ্গলবার দুপুরে রানাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ঘটনার পরপরই জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম. তামাল আহম্মেদ অভিযোগ করে বলেন, “এটা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত নাটক। আশপাশের চিহ্নিত মাদক কারবারীরা মিলে মাসুদকে ফাঁসিয়েছে।”
তিনি জানান, রানা নিয়মিত মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মাদকচক্র দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র সাজিয়ে আসছিল। এম. তামাল আহম্মেদের দাবি, মাদকচক্রই রানার বাড়ির রান্নাঘরের পাশে বোমা, পেট্রোল বোমা ও ধারালো অস্ত্র রেখে যায় এবং এরপর তারাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দেয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যে জায়গা থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, সেখানে মাসুদের নিয়মিত যাতায়াত নেই।’
জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও একই সুরে কথা বলেছেন। তারা জানান, মাসুদ আল রানার বিরুদ্ধে আগে কখনোই এ ধরনের কোনো অভিযোগ ছিল না। আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালনের কারণেই তাকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে টার্গেট করা হয়েছে।
তবে, একটি পক্ষ এ ঘটনা সাজানোর পেছনে যুবদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে দায়ী করলেও, জেলা যুবদল আহ্বায়ক এম. তামাল আহম্মেদ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, দলে মতবিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু কোনো অভ্যন্তরীণ কোন্দল নেই।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শুভ কুমার রায় বলেন, “ঘটনাস্থল থেকেই সরঞ্জামগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতেই তা উদ্ধার করা হয়েছে। কে রেখেছে কিংবা কেন রেখেছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত চলছে।”

সর্বাধিক পঠিত

ঝিকরগাছায় ১৬ দিন ধরে নিখোঁজ কিশোর রাকিব, সন্তানের অপেক্ষায় মায়ের বুকভরা আর্তনাদ

যশোরে যুবদল নেতার বাড়িতে বোমা উদ্ধার: ‘সাজানো নাটক’ বলে অভিযোগ বিএনপির

আপডেট: ১১:২২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

যশোর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ আল রানা-এর বাড়ি থেকে যৌথ বাহিনীর অভিযানে বোমা ও দেশি অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। অভিযান শেষে তাকে আটক করা হলেও জেলা বিএনপি ও যুবদল এটিকে ‘সম্পূর্ণ সাজানো নাটক’ এবং ‘পূর্ব পরিকল্পিত’ ঘটনা বলে তীব্র অভিযোগ করেছে।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর, ২০২৫) ভোরে যশোর চাঁচড়া রায়পাড়া রাজা বরদাকান্ত রোড এলাকায় মাসুদ আল রানার বাড়িতে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। অভিযানে সাতটি ককটেল, তিনটি পেট্রোল বোমা এবং বেশ কিছু ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। আটক মাসুদ আল রানা চাঁচড়া রায়পাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে।
উদ্ধার অভিযানের পর কোতোয়ালি থানার এসআই আনিছুর রহমান খান বিস্ফোরক আইনে মামলা দায়ের করেন। মঙ্গলবার দুপুরে রানাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ঘটনার পরপরই জেলা যুবদলের আহ্বায়ক এম. তামাল আহম্মেদ অভিযোগ করে বলেন, “এটা সম্পূর্ণ পরিকল্পিত নাটক। আশপাশের চিহ্নিত মাদক কারবারীরা মিলে মাসুদকে ফাঁসিয়েছে।”
তিনি জানান, রানা নিয়মিত মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মাদকচক্র দীর্ঘদিন ধরে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র সাজিয়ে আসছিল। এম. তামাল আহম্মেদের দাবি, মাদকচক্রই রানার বাড়ির রান্নাঘরের পাশে বোমা, পেট্রোল বোমা ও ধারালো অস্ত্র রেখে যায় এবং এরপর তারাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর দেয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, যে জায়গা থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে, সেখানে মাসুদের নিয়মিত যাতায়াত নেই।’
জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাও একই সুরে কথা বলেছেন। তারা জানান, মাসুদ আল রানার বিরুদ্ধে আগে কখনোই এ ধরনের কোনো অভিযোগ ছিল না। আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালনের কারণেই তাকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে টার্গেট করা হয়েছে।
তবে, একটি পক্ষ এ ঘটনা সাজানোর পেছনে যুবদলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে দায়ী করলেও, জেলা যুবদল আহ্বায়ক এম. তামাল আহম্মেদ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, দলে মতবিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু কোনো অভ্যন্তরীণ কোন্দল নেই।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই শুভ কুমার রায় বলেন, “ঘটনাস্থল থেকেই সরঞ্জামগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতেই তা উদ্ধার করা হয়েছে। কে রেখেছে কিংবা কেন রেখেছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তদন্ত চলছে।”