১২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ: লাইফ জ্যাকেট পরে লড়াই, একজন নিহত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:২৯:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৮৮

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষে নাসিরউদ্দিন (৬৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৫ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সাচ্চু ও হারুন গোষ্ঠীর সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই এই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। শনিবার সকালে সেই বিরোধের জেরে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র হাতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় দুপক্ষের লোকজনকে মাথায় হেলমেট এবং গায়ে লাইফ জ্যাকেট পরে অংশ নিতে দেখা যায়।
এই সংঘর্ষে নাসিরউদ্দিন গুরুতর আহত হন। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ সৌরির মরদেহ উদ্ধার, ৫ আগস্টের ভিডিও ঘিরে নানা প্রশ্ন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ: লাইফ জ্যাকেট পরে লড়াই, একজন নিহত

আপডেট: ০১:২৯:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: সদর উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের বিরামপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের ভয়াবহ সংঘর্ষে নাসিরউদ্দিন (৬৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৫ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সাচ্চু ও হারুন গোষ্ঠীর সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই এই দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। শনিবার সকালে সেই বিরোধের জেরে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র হাতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় দুপক্ষের লোকজনকে মাথায় হেলমেট এবং গায়ে লাইফ জ্যাকেট পরে অংশ নিতে দেখা যায়।
এই সংঘর্ষে নাসিরউদ্দিন গুরুতর আহত হন। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ওই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।