০৪:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

বেনাপোল বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা আড়াই লাখ টাকার কমলার চালান আটক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:৫৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫১৪

বেনাপোল বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা আড়াই লাখ টাকার কমলার চালান আটক
নিজস্ব প্রতিনিধি: বেনাপোল বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা কমলার চালান আটক করলো আনছার সদস্যরা। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেনাপোল বন্দরের ৩১ নং কাঁচামাল মাঠ থেকে যশোর-জ-১১-১৩৩৬ ট্রাকে থাকা ২০০ ক্যারেট কমলাসহ আটক করে। বেনাপোলের আমদানিকারক গাজী ফ্রুটস এন্ড ভেজিটেবল ও সিএন্ডএফ গাজী এক্সপ্রেস এই চালানে ঘোষণা বর্হিভূত অতিরিক্ত পণ্য ছাড়করণে নিয়োজিত ছিলো।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, গত (২৭ সেপ্টেম্বর) ভারত থেকে গাজী ফ্রুটস এন্ড ভেজিটেবল এর একটি ফ্রেশ মালটার চালান আমদানিকরে বন্দরে প্রবেশ করায়। কিন্তু ঘোষণায় ফ্রেস মালটা থাকলেও এ চালানে ঘোষনার অতিরিক্ত ২০০ ক্যারেট ১৮৫০ কেজি ঘোষণাবর্হিভূত কমলা পাওয়া যায়। কিন্ত কাস্টমস কর্তৃপক্ষের পরীক্ষণে ঘোষণার অতিরিক্ত পণ্য চালান আটক হয়নি। তবে বন্দরের নিয়জিত আনছার সদস্যদের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অতিরিক্ত পণ্যের কমলার গাড়িসহ আটক করে কাস্টমসে জমা দেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, ফ্রেস মালটার ঘোষণার আনা অতিরিক্ত বেশি ২০০ কাটুন কমলা অনায়াশে বের হয়ে যাচ্ছিল। কাস্টমসের পরীক্ষণ কর্মকর্তাদের কারসাজি রয়েছে বলে জানা গেছে। আর এই কারসাজির সাথে আমদানিকারক কাম সিএন্ডএফ সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাহিদুলের নাম উঠে এসেছে। তারা আরও জানান, প্রতি কেজি কমলার শুল্ক কর ১২২ টাকা তাহলে ১৮৫০ কেজি কমলায় ২,২৫,৭০০ (দুই লাখ পঁচিশ হাজার সাতশত টাকা) রাজস্ব ফাঁকি হচ্ছিলো। আর কর্মকর্তার সাথে দেড় লাখ টাকা ভাগাভাগিতে পণ্য বেরিয়ে যাচ্ছিলো।
অভিযোগ মিলেছে, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আফতারুল ইসলাম ও আমদানিকারক শামিমের বেজায় দহরম-মহরম রয়েছে। রাতে রহমান চেম্বারে তাদের আসর বসে। আর শামিমকে অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে শুল্ক ফাঁকিতে সহায়তা করছে। এ চক্রে আরও কয়েকজনকে ভিড়িয়েছেন আফতারুল।
এ বিষয়ে আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ মালিক শামিম উদ্দীন গাজিকে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বেনাপোল বন্দরের নিয়োজিত আনছারের পিসি আরমান আলী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার মিথ্যা ঘোষাণরা কমলার ট্রাকসহ আটক করে বন্দরের কাছে হস্তান্তর করেছেন।

অভয়নগরে নবম শ্রেণির ছাত্রী অপহরণ, বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

বেনাপোল বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা আড়াই লাখ টাকার কমলার চালান আটক

আপডেট: ০১:৫৯:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বেনাপোল বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা আড়াই লাখ টাকার কমলার চালান আটক
নিজস্ব প্রতিনিধি: বেনাপোল বন্দরে মিথ্যা ঘোষণায় আনা কমলার চালান আটক করলো আনছার সদস্যরা। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বেনাপোল বন্দরের ৩১ নং কাঁচামাল মাঠ থেকে যশোর-জ-১১-১৩৩৬ ট্রাকে থাকা ২০০ ক্যারেট কমলাসহ আটক করে। বেনাপোলের আমদানিকারক গাজী ফ্রুটস এন্ড ভেজিটেবল ও সিএন্ডএফ গাজী এক্সপ্রেস এই চালানে ঘোষণা বর্হিভূত অতিরিক্ত পণ্য ছাড়করণে নিয়োজিত ছিলো।
বন্দর সূত্রে জানা যায়, গত (২৭ সেপ্টেম্বর) ভারত থেকে গাজী ফ্রুটস এন্ড ভেজিটেবল এর একটি ফ্রেশ মালটার চালান আমদানিকরে বন্দরে প্রবেশ করায়। কিন্তু ঘোষণায় ফ্রেস মালটা থাকলেও এ চালানে ঘোষনার অতিরিক্ত ২০০ ক্যারেট ১৮৫০ কেজি ঘোষণাবর্হিভূত কমলা পাওয়া যায়। কিন্ত কাস্টমস কর্তৃপক্ষের পরীক্ষণে ঘোষণার অতিরিক্ত পণ্য চালান আটক হয়নি। তবে বন্দরের নিয়জিত আনছার সদস্যদের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অতিরিক্ত পণ্যের কমলার গাড়িসহ আটক করে কাস্টমসে জমা দেন।
সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, ফ্রেস মালটার ঘোষণার আনা অতিরিক্ত বেশি ২০০ কাটুন কমলা অনায়াশে বের হয়ে যাচ্ছিল। কাস্টমসের পরীক্ষণ কর্মকর্তাদের কারসাজি রয়েছে বলে জানা গেছে। আর এই কারসাজির সাথে আমদানিকারক কাম সিএন্ডএফ সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মাহিদুলের নাম উঠে এসেছে। তারা আরও জানান, প্রতি কেজি কমলার শুল্ক কর ১২২ টাকা তাহলে ১৮৫০ কেজি কমলায় ২,২৫,৭০০ (দুই লাখ পঁচিশ হাজার সাতশত টাকা) রাজস্ব ফাঁকি হচ্ছিলো। আর কর্মকর্তার সাথে দেড় লাখ টাকা ভাগাভাগিতে পণ্য বেরিয়ে যাচ্ছিলো।
অভিযোগ মিলেছে, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আফতারুল ইসলাম ও আমদানিকারক শামিমের বেজায় দহরম-মহরম রয়েছে। রাতে রহমান চেম্বারে তাদের আসর বসে। আর শামিমকে অনৈতিক সুবিধার বিনিময়ে শুল্ক ফাঁকিতে সহায়তা করছে। এ চক্রে আরও কয়েকজনকে ভিড়িয়েছেন আফতারুল।
এ বিষয়ে আমদানিকারক ও সিএন্ডএফ মালিক শামিম উদ্দীন গাজিকে কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
বেনাপোল বন্দরের নিয়োজিত আনছারের পিসি আরমান আলী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার মিথ্যা ঘোষাণরা কমলার ট্রাকসহ আটক করে বন্দরের কাছে হস্তান্তর করেছেন।