০৩:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

এমপিও শিক্ষকদের বাড়িভাড়া বৃদ্ধির দাবি ‘ন্যায্য’, পর্যায়ক্রমে ১০% বাড়ানোর ইঙ্গিত: উপ-প্রেস সচিব

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:০৫:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৬২

: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাড়িভাড়া বৃদ্ধির দাবিকে ‘অনেকটাই ন্যায্য’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, এই দাবি পূরণ হলে তা সব পক্ষের জন্য আনন্দদায়ক হবে।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে উপ-প্রেস সচিব শিক্ষকদের আন্দোলনের বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি জানান, গ্রামে বড় হওয়ায় এবং গ্রামের স্কুলে পড়াশোনা করায় শিক্ষকদের কষ্ট তিনি ব্যক্তিগতভাবে দেখেছেন। তিনি মনে করেন, বাড়িভাড়া বৃদ্ধির দাবি পূরণ হওয়া সকলের জন্য সুখের বিষয়। তবে দাবি আদায়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়াকে তিনি দুঃখজনক বলে সতর্ক করেছেন।
উপ-প্রেস সচিব জানান, সরকার ইতোমধ্যে শিক্ষকদের দাবি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে বাড়িভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন, আপাতত ৫ শতাংশ বাড়িভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং আগামী বাজেটের আগে আরও ৫ শতাংশ বাড়ানোর বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। তবে শিক্ষকদের একাংশ এখনই দাবি পূরণের পক্ষে থাকলেও, তিনি বাস্তবতা বিবেচনা করে পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন।
তিনি আরও বলেন, যাদের বেতন স্কেল ২০ হাজার টাকার কম, তাদের বাড়িভাড়া মূলত ১০ শতাংশ বাড়বে। যেহেতু অধিকাংশ শিক্ষকই এই সীমার নিচে আছেন, তাই তাদের একটি বড় অংশের দাবি পূরণ হচ্ছে। তিনি আশ্বাস দেন, সরকার এমপিওভুক্ত সকল শিক্ষকের ন্যায্য দাবি অবশ্যই বিবেচনায় রাখবে।
তবে এর পাশাপাশি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, বছরের পর বছর রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ছাত্র-শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও অনেক নিম্নমানের প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমন প্রতিষ্ঠানগুলোকে অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া কতটা যৌক্তিক। সাম্প্রতিক পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলে এর প্রভাব দেখা গেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন, যেখানে কিছু কলেজ থেকে কেউ পাশ করেনি।
শেষে উপ-প্রেস সচিব মন্তব্য করেন, এখন সময় এসেছে এমপিওভুক্তির শর্ত পূরণ করা স্কুলগুলোর মান যাচাই করার, যাতে সত্যিকার অর্থে শিক্ষার মান অনুযায়ী সুবিধা নিশ্চিত করা যায়।

সর্বাধিক পঠিত

ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ে নুরুজ্জামান লিটনের সঙ্গে বাগআঁচড়া বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

এমপিও শিক্ষকদের বাড়িভাড়া বৃদ্ধির দাবি ‘ন্যায্য’, পর্যায়ক্রমে ১০% বাড়ানোর ইঙ্গিত: উপ-প্রেস সচিব

আপডেট: ০৬:০৫:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাড়িভাড়া বৃদ্ধির দাবিকে ‘অনেকটাই ন্যায্য’ বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, এই দাবি পূরণ হলে তা সব পক্ষের জন্য আনন্দদায়ক হবে।
শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে উপ-প্রেস সচিব শিক্ষকদের আন্দোলনের বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি জানান, গ্রামে বড় হওয়ায় এবং গ্রামের স্কুলে পড়াশোনা করায় শিক্ষকদের কষ্ট তিনি ব্যক্তিগতভাবে দেখেছেন। তিনি মনে করেন, বাড়িভাড়া বৃদ্ধির দাবি পূরণ হওয়া সকলের জন্য সুখের বিষয়। তবে দাবি আদায়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়াকে তিনি দুঃখজনক বলে সতর্ক করেছেন।
উপ-প্রেস সচিব জানান, সরকার ইতোমধ্যে শিক্ষকদের দাবি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে বাড়িভাড়া বাড়ানোর বিষয়ে কাজ করছে। তিনি উল্লেখ করেন, আপাতত ৫ শতাংশ বাড়িভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং আগামী বাজেটের আগে আরও ৫ শতাংশ বাড়ানোর বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে। তবে শিক্ষকদের একাংশ এখনই দাবি পূরণের পক্ষে থাকলেও, তিনি বাস্তবতা বিবেচনা করে পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন।
তিনি আরও বলেন, যাদের বেতন স্কেল ২০ হাজার টাকার কম, তাদের বাড়িভাড়া মূলত ১০ শতাংশ বাড়বে। যেহেতু অধিকাংশ শিক্ষকই এই সীমার নিচে আছেন, তাই তাদের একটি বড় অংশের দাবি পূরণ হচ্ছে। তিনি আশ্বাস দেন, সরকার এমপিওভুক্ত সকল শিক্ষকের ন্যায্য দাবি অবশ্যই বিবেচনায় রাখবে।
তবে এর পাশাপাশি আবুল কালাম আজাদ মজুমদার একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, বছরের পর বছর রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে ছাত্র-শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও অনেক নিম্নমানের প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, এমন প্রতিষ্ঠানগুলোকে অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া কতটা যৌক্তিক। সাম্প্রতিক পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলে এর প্রভাব দেখা গেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন, যেখানে কিছু কলেজ থেকে কেউ পাশ করেনি।
শেষে উপ-প্রেস সচিব মন্তব্য করেন, এখন সময় এসেছে এমপিওভুক্তির শর্ত পূরণ করা স্কুলগুলোর মান যাচাই করার, যাতে সত্যিকার অর্থে শিক্ষার মান অনুযায়ী সুবিধা নিশ্চিত করা যায়।