০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের ১৪০০ বার মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত: চিফ প্রসিকিউটর

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:১৬:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৬০

জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতা হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সাবেক স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের জন্য চরম দণ্ড হিসেবে মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন প্রসিকিউশন। চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম যুক্তি দিয়েছেন যে, এই দুইজনের নির্দেশে ১৪০০ ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়েছে, তাই একজনকে হত্যার জন্য একবার মৃত্যুদণ্ড হলে তাদের ১৪০০ বার ফাঁসি হওয়া উচিত। তবে, আইনে একাধিকবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিধান না থাকায় সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছেন প্রসিকিউশন। এছাড়া, চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের শাস্তির বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে টানা পাঁচদিন রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম আদালতের কাছে এই চরম দণ্ড দেওয়ার আবেদন জানান। এরপর শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবেন।
ট্রাইব্যুনালকে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ১৪০০ ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়েছে। একজন মানুষকে হত্যার জন্য যদি একবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, তাহলে ১৪০০ মানুষকে হত্যার দায়ে শেখ হাসিনাকে ১৪০০ বার ফাঁসি দিতে হবে। কিন্তু আইনে এটা সম্ভব নয়। এজন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আমরা তার চরম দণ্ড দেওয়ার জন্য আবেদন করছি। যদি তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয় তাহলে দেশের জনগণ ন্যায়বিচার পাবে।”
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের চিহ্নিত করা ও দমনের জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়েছিল। সেসব হেলিকপ্টার থেকে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব ও পুলিশ জানিয়েছে, আন্দোলনের সময় হেলিকপ্টারগুলো ৩৬ বার ফ্লাই করেছে। এগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুড়িগ্রাম, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর রোডসহ বিভিন্ন স্থানের ওপর দিয়ে উড্ডয়ন করেছে।

সর্বাধিক পঠিত

ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ে নুরুজ্জামান লিটনের সঙ্গে বাগআঁচড়া বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ

শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের ১৪০০ বার মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট: ০৬:১৬:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতা হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সাবেক স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের জন্য চরম দণ্ড হিসেবে মৃত্যুদণ্ড চেয়েছেন প্রসিকিউশন। চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম যুক্তি দিয়েছেন যে, এই দুইজনের নির্দেশে ১৪০০ ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়েছে, তাই একজনকে হত্যার জন্য একবার মৃত্যুদণ্ড হলে তাদের ১৪০০ বার ফাঁসি হওয়া উচিত। তবে, আইনে একাধিকবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার বিধান না থাকায় সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছেন প্রসিকিউশন। এছাড়া, চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনের শাস্তির বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে টানা পাঁচদিন রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম আদালতের কাছে এই চরম দণ্ড দেওয়ার আবেদন জানান। এরপর শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবেন।
ট্রাইব্যুনালকে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ১৪০০ ছাত্র-জনতাকে হত্যা করা হয়েছে। একজন মানুষকে হত্যার জন্য যদি একবার মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়, তাহলে ১৪০০ মানুষকে হত্যার দায়ে শেখ হাসিনাকে ১৪০০ বার ফাঁসি দিতে হবে। কিন্তু আইনে এটা সম্ভব নয়। এজন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আমরা তার চরম দণ্ড দেওয়ার জন্য আবেদন করছি। যদি তাকে এ দণ্ড দেওয়া হয় তাহলে দেশের জনগণ ন্যায়বিচার পাবে।”
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের চিহ্নিত করা ও দমনের জন্য হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়েছিল। সেসব হেলিকপ্টার থেকে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব ও পুলিশ জানিয়েছে, আন্দোলনের সময় হেলিকপ্টারগুলো ৩৬ বার ফ্লাই করেছে। এগুলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, কুড়িগ্রাম, রংপুর, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর রোডসহ বিভিন্ন স্থানের ওপর দিয়ে উড্ডয়ন করেছে।