০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদে পরিবেশ অধিদপ্তর ‘জিরো টলারেন্স’, হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:২০:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৯৯

পরিবেশ দূষণ রোধে সচেতন মহল অবৈধ ইটভাটা বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ আশা করছেন।
এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর যশোরের উপপরিচালক এমদাদুল হক বলেন, “ইটভাটা সংক্রান্ত সব অসঙ্গতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আমরা মাঠে নামছি। সব ধরনের দেন-দরবার উপেক্ষা করে জনস্বার্থে এবং এলাকার পরিবেশ সমুন্নত রাখতে অবৈধ সব ভাটা উচ্ছেদে কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে অনেক ভাটার আংশিক ভেঙে দেওয়া হয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এ পর্যন্ত ৩০ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি কিছু ভাটা সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “পরিবেশ নিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে আমরা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছি। অবৈধ কোনো ইটভাটাকে সহ্য করা হবে না। আমার যেহেতু ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা নেই, সেহেতু লিখিত দিয়ে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে সঙ্গে নিয়ে পর্যায়ক্রমে সব উপজেলার অবৈধ ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হবে।”
এদিকে, সারা দেশের সব অবৈধ ইটভাটা চার সপ্তাহের মধ্যে গুঁড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একটি সম্পূরক আবেদনের ওপর শুনানি শেষে সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতের নির্দেশে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সকল বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসককে (ডিসি) এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। আদালত আদেশ বাস্তবায়ন করে আগামী ১৭ মার্চের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে, অবৈধ ইটভাটা এবং ইটভাটার জ্বালানি হিসেবে কাঠের ব্যবহার বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় তার ব্যাখ্যা দিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং সিলেট, রাজশাহী, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনারকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১৭ মার্চ তাদেরকে সশরীরে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

শার্শায় ফেনসিডিল মামলায় পলাতক ওয়াহেদ আলীর ৫ বছরের কারাদণ্ড

অবৈধ ইটভাটা উচ্ছেদে পরিবেশ অধিদপ্তর ‘জিরো টলারেন্স’, হাইকোর্টের কড়া নির্দেশ

আপডেট: ০৮:২০:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

পরিবেশ দূষণ রোধে সচেতন মহল অবৈধ ইটভাটা বন্ধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ আশা করছেন।
এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর যশোরের উপপরিচালক এমদাদুল হক বলেন, “ইটভাটা সংক্রান্ত সব অসঙ্গতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে আমরা মাঠে নামছি। সব ধরনের দেন-দরবার উপেক্ষা করে জনস্বার্থে এবং এলাকার পরিবেশ সমুন্নত রাখতে অবৈধ সব ভাটা উচ্ছেদে কাজ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে অনেক ভাটার আংশিক ভেঙে দেওয়া হয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এ পর্যন্ত ৩০ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি কিছু ভাটা সম্পূর্ণরূপে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “পরিবেশ নিয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে আমরা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছি। অবৈধ কোনো ইটভাটাকে সহ্য করা হবে না। আমার যেহেতু ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা নেই, সেহেতু লিখিত দিয়ে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে সঙ্গে নিয়ে পর্যায়ক্রমে সব উপজেলার অবৈধ ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করা হবে।”
এদিকে, সারা দেশের সব অবৈধ ইটভাটা চার সপ্তাহের মধ্যে গুঁড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একটি সম্পূরক আবেদনের ওপর শুনানি শেষে সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতের নির্দেশে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, সকল বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসককে (ডিসি) এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। আদালত আদেশ বাস্তবায়ন করে আগামী ১৭ মার্চের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে, অবৈধ ইটভাটা এবং ইটভাটার জ্বালানি হিসেবে কাঠের ব্যবহার বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় তার ব্যাখ্যা দিতে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং সিলেট, রাজশাহী, বরিশাল, রংপুর ও ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনারকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১৭ মার্চ তাদেরকে সশরীরে হাজির হয়ে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।